Skip to main content

এক বিন্দু জল

তুমি তো এক বিন্দু জল
তর্জনীর মাথায় নিয়েও
সেখানে আকাশের ছবি খুঁজতে
আমি এক সমুদ্র জলের সামনে দাঁড়িয়েও

অবিনশ্বর মরিয়াপনা

ছেলেটা তার দম দেওয়া ট্রেনটাকে বলেছিল

ভাঙবি না কোনোদিন
ট্রেনটা একদিন ছাদের কার্ণিশ থেকে পড়ে
স্প্রিংট্রিং বার করে হাঁ হয়ে পড়েছিল কুয়োপাড়ে

প্রথম থেকে ভাবো

শপিংমলের দরজায় দাঁড়ানো

আটান্নোটা বসন্ত মাড়ানো মানুষটা
যে যেতে আসতে হাসিমুখে
কাঁচের দরজাটা খুলে দেয়

তুমি না

তুমি না

আমি বিশ্বাস করেছি
তুমি এলে আমি ভালো থাকব
তুমি না
আমি এই বিশ্বাসকে লালন করেছি
স্বপ্নে, প্রশ্রয়ে, আদরে

অস্থাবর

পাগলামি শান্তও তো হয়
এই যে সে
চায়ের দোকানের সামনে উবু হয়ে বসে
সে কি করছে?

স্বপ্ন

বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলে অনেক বড় হবে
ছেলেরও স্বপ্ন ছিল সে অনেক বড় হবে

সমস্যা হল
বাবার স্বপ্নে ছেলে থাকলেও
ছেলের স্বপ্নে বাবা ছিল না ...

সংশয়

যে মানুষ খড়ের গাদায় সূঁচ খুঁজতে নিরাশ
সে মানুষও খড়ের গাদায় হাঁটতে যায় না নিশ্চিন্তে
খালি পায়ে ...

জানলাটা

এই যে জানলাটা
এ বিস্মিত হয় না, উদাস হয় না, মুগ্ধ হয় না, অবাক হয় না

ভুলতে গেলে যত্ন করতে হয়

..এমন জায়গায় রেখে দিতে হয়
সহজে যাতে চোখে না পড়ে
আবার খুঁজতে চাইলেই যেন
ধরা দেয় হাতের নাগালে
...
Subscribe to কবিতা