Skip to main content

নজরুল - প্রাসঙ্গিকতা - কিছুকথা

আমার ছোটোবেলায় যখন ক্যাসেটের দোকানে যেতাম তখন ক্যাসেটের সারিতে কয়েকটা নজরুলগীতির ক্যাসেট থাকত – পূরবী দত্ত, ফিরোজা বেগম, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, ইন্দ্রাণী সেন, ড: অঞ্জলি মুখোপাধ্যায় ইত্যাদি। কিন্তু আজ যখন সিডির দোকানে যাই সেই অর্থে নজরুলগীতির সিডি প্রায় চোখেই পড়ে না।

বাঙালির মা

        বাঙালির মা কে? কালী-দূর্গা-সরস্বতী-লক্ষ্মী। তারপর মাঝে হয়েছিল – দেশ – বন্দে মাতরম। এখন? জানে না যেন, নেকু! 

চেনো ওদের?

        জানো কিনা জানি না। আমি অনেক বাড়ি দেখেছি, যারা কেউ হাসে না। তারা যে দুঃখী তা নয়। তারা হাসার কোনো কারণ খুঁজে পায় না। চোখের উপর তাদের কোনো পর্দা নেই আর। ধুলো-বালি-খড়কুটো সব গিয়ে চোখে পড়ছে, কিন্তু তবু তাদের চোখ জ্বালা করছে না, আমি এমন দেখেছি। তাদের চোখের সামনে টিভিতে কতলোক হাসছে-কাঁদছে-গল্প করছে-নাচছে-গাইছে। তারা স্থির হয়ে টিভির সামনে বসে। কত দুর্ঘটনা

২৫শে বৈশাখ

        আমি আজকের দিনে বুঝেছিলাম আমার ঘরের ভিতর যে আলো আসে, সে আলো এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আলোরই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র একটা আলো, সে বিশ্বজনীন। আমি আজকের দিনে বুঝেছিলাম, আমার বাগানে যে ফুলটা প্রতিদিন সকালে ফোটে সে বিশ্বজনীন, আন্তর্জাতিক নয়। আমি আজকের দিনে বুঝেছিলাম, আমার উঠোনে যে বাউল আসে, তার গলায় যে গান বাজে, তার একতারায় যে সুর ওঠে, তার আবেদন বিশ্বজনীন, আন্তর্জ

আসারামের ব্রহ্মজ্ঞান

        “Asaram believed that sexual exploitation of girls is not a sin for 'Brahmgyani' or a highly enlightened person”

        আসারাম নিজেকে বিশ্বাস করত যেহেতু তার 'ব্রহ্মজ্ঞান' হয়েছে তাই একটা কিশোরী বা যে কোনো কাউকে ধর্ষণের অপরাধ তাকে স্পর্শ করতে পারে না।
...

বাচ্চাটার এক পায়ে জুতো

বাচ্চাটার এক পায়ে জুতো, আরেক পা খালি। মন্দিরের চাতাল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মা উদাস চোখে বসে। সিঁথিতে সিঁদুর নেই। হাতে শাখাপলাও নেই। সিঁথিতে যেন কোনোকালের মোছা সিঁদুরের আবছা দাগ। শুকনো অববাহিকায় পড়ে থাকা নুড়ির মত কয়েকটা শ্রীহীন চুল হালকা বাতাসে উড়ছে। দৃষ্টি দূরে।

অপ্রাসঙ্গিক

আমার কিছু অপ্রাসঙ্গিক কথা বলতে ইচ্ছা করে। তেমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিন্তু কথাগুলো ভীষণ সত্যি। অনুভবে সত্যি। অভিজ্ঞতায় সত্যি। শাস্ত্রকারের মতে যাই হোক না কেন। তারা কোনো বাণী নয় যদিও, তবু তারা সত্যি। রেললাইনের ধারে জন্মানো ছোট্টো গাছটার মত সত্যি। তারা খেদও নয়, অতৃপ্ত বাসনাও নয়।
...

চক্ষুলজ্জা

'চক্ষুলজ্জা'র ইংরাজি অভিধানে মনের মত পেলাম না। সংসদের অভিধানে তো একটা রচনাই লিখে বসেছে দেখলাম। কেন বলুন তো? তবে কি ওদের ওদিকে লোকে এমনধারা লজ্জা পেতে লজ্জাবোধ করে? জানি না। তবে আমাদের বাঙালিজাতটার আর কিছু লজ্জা থাকুক চাই না থাকুক এই চক্ষুলজ্জাটা কিন্তু বেশ দগদগে।
...
Subscribe to প্রবন্ধ