প্রশ্ন
প্রশ্ন করতে বারণ কোরো না
হারিয়ে যাবে
যেমন হারিয়ে গেছে
অনেক দেবতা
অনেক ধর্ম
সমাজের অনেক
তথাকথিত অভিভাবক
প্রশ্ন শুনতে ভয় পেয়ো না
মিলিয়ে যাবে অস্তিত্বের সংকটে
স্বীকারোক্তি
তখন অল্প পরিচয়
অন্ধকারই বেশি, খুব স্বল্প আলো
তোমাকে লাগল ভাল
আলোতে ছায়াতে মিশে
তোমার যে মূর্তি মনে আঁকলাম
বুঝিনি তো যে
তাতে সত্যের চেয়ে কল্পনা আছে বেশি
যা দেখি তা নয় ঠিক
সত্য ঢেকেছে মাধুরী ছদ্মবেশে
বাধ্য না গো
বাধ্য না গো
উদ্বোধিত হই
খণ্ডিত না
অখণ্ডিতই রই
সন্ধ্যেবেলা হেঁটে ফিরে এসে দেখি কি সমস্যা
সন্ধ্যেবেলা হেঁটে ফিরে এসে দেখি কি সমস্যা, বাড়ির এক্কেবারে বাইরের দরজার গ্রীলের ফাঁকে আটকে একটা বাচ্চা কুকুর। আপ্রাণ বেরোতে চেষ্টা করছে, ডাকছে। বেরোতে পারছে না। পাড়ার কুকুর। গেট খোলা থাকলেই বাগানে ঢুকে পড়ে। তারপর বেরোবার সময় এই রকম ফাঁকে আটকিয়ে কিছুক্ষণ খণ্ডযুদ্ধ করে নিজের থেকেই মুক্ত করে নিজেকে।
কেন বলোনি তুমি এসেছো
নাম কথা
জবা টগর রজনীগন্ধা ইত্যাদি
মাত্র কয়েকটা ফুলই চিনি
দেখেছি হয় তো আরো অনেক রকম ফুল।
নাম জানি না।
তাতে কি আর এসে যায় বলো?
ফুল তো ফুলই।
যেমন তোমার কথা।
গভীর ক'টা শব্দ
অকাল সন্ধ্যে
মেঘলা আকাশ। উদ্বেল দীঘির কালো জল। বৃষ্টি ধোয়া গাছের পাতার থেকে এক বিন্দু জল পড়ল দীঘির বুকে - টুপ্। মিলিয়ে গেল। জলের বুকে মেঘের ছায়া।
পাড়ে বসে যে মেয়েটা, সে এ পাড়ায় সদ্য বিয়ে হয়ে এসেছে। এই দুপুরে সে একা বসে ঘাটের সিঁড়িতে। কেউ নেই চারধারে। ফাঁকা জনপথ। ওর কি মন খারাপ? নাকি নতুন সব কিছুর সাথে মানিয়ে নেওয়া লড়াইয়ের ফাঁকে একটু অবকাশ।
বাবা-মায়ের বিবাহবার্ষিকী
সকালে বাবার ঘরে ঢুকতেই বাবা মুখটা ঘুরিয়ে নিলেন। সে ক্ষণিক দৃষ্টিতেই বুঝলাম বাবার চোখে জল। মনে পড়ল, আজ 6th জুন। বাবা-মায়ের বিবাহবার্ষিকী। জিজ্ঞাসা করলাম না কিছু। ফিরে আসলাম নিজের ঘরে।