Skip to main content

বারুদ

নিজে জ্বলেই জ্বালানো যায়
শুধুমুধু বারুদের দোকান সাজিয়ে কি হবে?

যে আসবে কিনতে,
সে চারদিকের অন্ধকারে বিভ্রান্ত হবে
আলোকে করবে অবিশ্বাস
   দুর্ভাগ্য এই, আজ বারুদ বিক্রেতাই চারিদিকে
 কেউই পুড়তে চায় না
   চায় অন্যকে জ্বালিয়ে সে আগুনে তাপ পোয়াতে

কালবৈশাখী

আশ্চর্য হওয়ার তো কিছু হয়নি, বলে রণিতা পাশের ঘরে চলে গেল শাড়ি ছাড়তে। রণিতার মা কিছুক্ষণ ছাদ থেকে আনা শুকনো কাপড়গুলো কোলে নিয়ে সোফাটায় বসে রইলেন। জানলা দিয়ে সামনের বড় রাস্তাটা দেখা যায়। দুপুর তিনটে, বৈশাখের কাঠফাটা রোদ। রাস্তাটা শুনশান।

আর ডেকো না

ওগো তোমরা ফিরে যাও
  আমি নাও ভাসিয়েছি অকুলে

লোভী তুমি ফেরো,
  তোমার পথ আটকে লোভ

ধনী তুমি ফেরো
  তোমার গায়ে আঁশটে গন্ধ

ওগো মেয়ে তুমি ফেরো
  তোমার ঠোঁটে কপট বাঁধন

ওগো সন্ন্যাসী তুমি ফেরো
  তোমার পথ আটকে অহং

আমার চোখ ডুবেছে যে অতলে
  যে অরূপের সাথে হয়েছে চোখাচোখি

নিজের মানুষ

কাছের মানুষ আছে ক'জন
   নিজের মানুষ নেই
নিজের মানুষ খুঁজতে গিয়ে
   তোমায় পেলাম সেই

মনের মানুষ হয়ে এলে
   নিজের মানুষ যে গো
ও মন ছাড় রে এবার দুনিয়াদারি
   ভিতর ঘরটা গোছা না গো

তুমি সুন্দর

তুমি সুন্দর
   আমি না তো!
তবু তোমার বুকে আমার ঠাঁই
       বারণ করলে না তো?

(ছবিঃ প্রীতম পাল)

যে যায়

আজ সকাল থেকেই মনটা খারাপ। আজ বলে না বেশ কিছুদিন ধরেই। Suvajit বদলি হয়ে পোরবন্দর চলে যাচ্ছে। আমার বন্ধু। ছিল ছাত্র। এখন কখনো বন্ধু, কখনো আত্মজ, কখনো অভিভাবক। যা হয়। ভালোবাসার আর কবে স্থির আয়তন হল বা গতিপথ হল!

দুই

ভাব যেখানে রাজী
শরীর সেখানে নয়
শরীর যে পথে রাজী
ভাব সেখানে নয়
এ দ্বন্দ্ব সব দ্বন্দ্বের মূল রে মন
হাওয়া যেখানে ভাসে
     পাথর সেখানে নয়
পাথরের বুকে বাতাস কোথায়?
   তবু দুই অস্তিত্বই কালের স্রোতে বয়

বে-হিসাবী

সারাদিন চোখের পাতা ক'বার ফেলি?

নত হয়ে আসি

নত হয়ে আসি
  শুধু ভালোবেসে
ছুঁয়ে যাও তুমি
  বুক ভরা শ্বাসে

(ছবিঃ সমীরন নন্দী)

যেদিন মিটবে ঘূর্ণিপাক

প্রতিদিন যদি একবার ডাকো
যদি একবারই যাও ছুঁয়ে
যদি একবার চাও তৃপ্ত নয়নে
যদি এক পা-ই হাঁটো -
                  সাথে নিয়ে

প্রতিদিন তবে তোমারই হোক
  প্রতিদিন শুধু তুমি
তোমার বাইরে আর কি বা খোঁজা
  তোমার আড়ালে আমি

Subscribe to