Skip to main content

সত্য পরিচয়


===
জানলা দরজা বানাতে গেলে
  আগে দেওয়াল বানাতে হয়

বোকার হদ্দ তুমি!

জানলাকে বলো - আকাশ
দরজাকে বলো - মুক্তি


===
চিড় ধরা দেওয়াল থেকে বাঁচায়
    আকাশ, খোলা মাঠ, নদীর জল

দৃষ্টি

সন্ন্যাসী সব ত্যাগ করল
শুধু ত্যাগ করল না তার ত্যাগের স্মৃতি

ভোর থেকে সন্ধ্যে সে তার ত্যাগের সমতুল বস্তু খুঁজে বেড়ায়। পায় না।

ঈশ্বরকেও তুচ্ছ মনে হয়। সে তো জগৎভোগী!

সন্ন্যাসী তাকালে ভস্ম হয়
  জীবজন্তু গাছপালা, এমনকি মানুষও

আত্মহনন আর না

(বড্ড বেশি বাড়ছে আত্মহত্যা। সব আত্মহত্যা ঠেকানো সম্ভব কি না জানি না। তবু বহুলাংশে সম্ভব হয়ত। একটু শুনতে চাওয়া। নিজের সাধ্যমত।)


সমাজ মানে তো সহস্রহাত
  হাত বাড়ালে একটা না একটা হাতে ঠেকবেই

শরৎ অভিসার

কাশ বর্ষাকে দেখে ইতস্তত করল খানিক
বর্ষা বলল, আমার হল যাওয়ার দেরি, তুমি এসো

কাশ দ্বিধা ভরে আকাশের দিকে চাইল
সেখানে কালো মেঘের ঘনঘটা
দীঘির জলের দিকে চাইল
সেখানেও কালো মেঘের ছায়া

কাশের মুখ হল ম্লান।
তবে কি শরতের সাথে হবে না মিলন?
  ব্যর্থ হবে এবারের আসা?

মূর্তিগুলো

এই মূর্তিগুলো দুদিন আগেই মণ্ডপ আলো করেছিল। মন্ত্র, স্তব, আরতি, ভোগ, মালা, চন্দন, ভক্তি - সব এই মূর্তি কেন্দ্র করেই (অশালীন আচরণ ভক্তির নামেও প্রবল, সে না হয় অপসংস্কৃতি। তা তো শাস্ত্রে লেখা ছিল না।)
        আজ সেগুলো সার দিয়ে গঙ্গার তীরে রাখা। মাটির সাথে মিশে যাবে, বৃষ্টির জলে ধুয়ে। তবে কি হিন্দু মূর্তিপূজক? পৌত্তলিক? তবে এরা এত অনাদরে অবহেলায় কেন?

মন একটা

মন একটা
তার হাজার টুকরো
প্রতিটা টুকরো স্বেচ্ছাচারী, স্বাধীন, একগুঁয়ে

পা কাটছে,
রক্তে থাকছে কোনো টুকরোর আত্মজীবনী

মন একটা
তার হাজার টুকরো
একান্নবর্তী পরিবারের একচিলতে ছাদ
       একটা বেখাপ্পা হৃদয়

তোমারই আছি

তুমি যেন অলৌকিক

হাত ছুঁইনি তোমার
পাশে বসিনি
কয়েক পা হেঁটেছিই শুধু
   তাও বাজারের মাঝখানে

বাজার মিলিয়ে গেল
    তোমায় রেখে

তোমার চোখের সাথে
চোখ মিলিয়ে
ঘুরে এসেছি কতবার

বারণ করোনি,
চোখের ভাষা দুর্বোধ্য করে
    ভ্রান্তও করোনি

এও আরেক দেবীপক্ষ

এও আরেক দেবীপক্ষ
"যে সব মহিলাদের দেখতে ভালো নয়, মানে সেই অর্থে সেক্স অ্যাপিল কম, তারাই নারীবাদী হয়ে মিছিল মঞ্চ করে বেড়ায়।"
বক্তা একজন মহিলা। তিনি জিজ্ঞাসিতা হয়েছিলেন, কেন এত সং এর মত সেজেগুজে কুমারটুলিতে পোজ দিয়ে ছবি তুলে তুলে ফেসবুকের পেজ ভরানো। সেকি পণ্য, না বিজ্ঞাপন?

ওগো চিত্তগামী

ওগো চিত্তগামী

প্রাণের কেন্দ্রে আমারও তো একটা ভোর আছে
 আশ্বিনের আকাশ যদিও
    ছেয়ে আছে আজ কালো মেঘে

তবু জানি,
   আমার নীলাকাশ হারিয়ে যায়নি
        কালের স্রোতে সেও আসছে আমারই কাছে

Subscribe to