Skip to main content

প্রলাপ

অকালে রাণী গেলা
কি দরিদ্র জীবন জিয়ে

নেটিজেন কাঁদি উঠে
ফুকারি ফুকারি হিয়ে 

বলে সবে ওগো রাজা
জাতীয় শোক কর ঘোষণা

পথে ঘাটে পর্দা টাঙি
হউক "ক্রাউন" প্রচারণা 

কি নির্লজ্জ বিরাট বাবা
শোকতাপ নাহি মানে

গত রাণীর জাতীয় খেলা
এরই মধ্যে সেঞ্চুরি হানে?

ব্যাট উঁচায়ে আকাশ পানে
কি দম্ভ প্রকাশ করে!

এলোমেলো কিউব

আসতেই হত। আজ এক বছর কমপ্লিট হল ফ্ল্যাটটায় আসা। ঈশান ঘুমাচ্ছে। কনক এক কাপ কফি নিয়ে বালকনিতে এসে বসল। সকাল ছ'টা। 

     কেউ খারাপ ছিল না। সবাই ভালো। শ্যামনগরের বাড়িতে ঘরের অভাবও ছিল না। তবে বিরাটি কেন? 

প্রতিবিম্ব

আসামীর সাজা ঘোষণা হয়ে গেছে। এদিকে তাও সে কাঠগোড়ায় ঠাঁয় দাঁড়িয়ে। বিচারক বললেন, তুমি কিছু বলবে?0

     আসামী হাসল। বলল, বলি?

     বিচারক বললেন, কি মুশকিল, বলবে বইকি.. বলো….

জীবন হাঁটুক

যে যেখানে থাকুক
ভালো থাকুক
খুব লড়াই দরকার নেই তো
দরকার নেই হুড়োহুড়ি করে উপরে ওঠার
সবাই যেখানে আছে
শান্তিতে থাকুক। সুস্থ থাকুক। 
একে অন্যের সঙ্গে থাকুক। 
আর কেউ না থাক
    অবশ্যই নিজের হাত নিজে ধরুক,
নিজের চোখ নিজে মুছুক।

অসুর

সমস্যাটা হল অসুরকে নিয়ে। দুর্গোৎসব এখন আন্তর্জাতিক উৎসব। ছেলেখেলা নয়। গণেশ, কার্তিক, সরস্বতী, লক্ষী, মা দুর্গা --- এঁদের আন্তর্জাতিক করতে বেগ পেতে হবে না। একটা 'গুডউইল' বলে ব্যাপার আছে। কিন্তু অসুর? 

পৃথিবী তোমার ধর্ম কি?

সবাই যে ধর্তব্যের মধ্যে ধরবে তা তো নয়। না তো কি সবাইকে আমিও ধর্তব্যের মধ্যে ধরব।

    কোনো মানুষকে যখন জানি, তখন শুধুই তাকে জানি। যখন তাকে ভালোবাসি তখনই সে মানুষটা সত্য হয় আমার কাছে। আমার ধর্তব্যের মধ্যে আসে।

    নইলে এই যে পোলাও আর আলুরদম খাওয়াচ্ছে, কেউ তো বলছে না, ও ঠাকুমা তুমি উঠে যাও, তোমার তো অন্য ধর্ম। কেউ তো বলছে না!

চাতাল

নিভা তার কাঁচাপাকা চুলগুলো গামছায় মুছছিল। হাত থেমে গেল। পরেশের নাতিটা স্নান করে বাঁধানো পুকুরঘাটে ছোটো ছোটো পায়ের ছাপ ফেলে এক দৌড়ে উঠে চলে গেল। নিভ

আপনজন

কথাটা ঠিক মাছ ধরা না। কথাটা হল সময় কাটানো। নইলে এই পুকুরে কি এমন মাছ হয় যে সকাল আটটা থেকে বেলা দুটো অবধি বসে থাকা যায়

সূর্য ওঠে ভেসে

মৃত্যু নয়
মৃত্যুশোক বারবার ফিরে আসে 

যে নেই
সে যে আমারও খানিকটা নিয়ে নেই 
এ সত্যটা জলে ডোবা সিঁড়ির মত ভাসে

পুরোনো মুখের পাশে বসে নতুন মুখ
কুমোরপাড়ায় কি বিসর্জিত প্রতিমা ফিরে আসে?

Subscribe to
↑