Skip to main content

নিঃসঙ্গ নয়

নিঃসঙ্গ নয়
একা করে গেলে

নীরবতা
সে তো
শব্দের অপারগতা

আমায় নিলে
আমাকে সরিয়ে ফেলে

 

[ছবিঃ অনিকেত ঘোষ]

নাকি ঘর হারালাম?

কথা বলতে বলতে মনে হল, 
যা বলছি, 
     সে আমার কথা নয়। 

থেমে গেলাম। 

তোমার চোখের উপর চোখ রাখলাম। যেন কান রাখলাম শাঁখের বুকে। সমুদ্রহীন সাগর গর্জন। 

বলতে গেলাম, 
    ছেড়ে যেও না। মরে যাব। 

তখন তুমি অনেক দূরে। 
কখন গেলে? 
    মিলিয়ে যাচ্ছ ধীরে ধীরে।

তপ্ত বালি, না পিচ্ছিল শ্যাওলা? 

সে জায়গাটায় নিজেকে আসতে দাও, যখন মনে হবে, নাহ্, এ মানুষটা আর যা হোক, আমায় ঠকাবে না। 

     মানুষের যতগুলো তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়, তার মধ্যে একটা অন্যতম তিক্ত অভিজ্ঞতা হল, যখন সে বুঝতে পারে সে ইউজড হয়েছে। এই ইউজড হওয়াটাকে অনেক ভাষায়, অনেক আঙ্গিকে বলা যেতে পারে। কিন্তু মোদ্দা কথাটা হল, ঠকে যাওয়া। ইউজড হওয়া। 

আশা

আমার ভালোবাসা, স্বপ্ন, আশা সব ব্যর্থ হয়েছে। তবু কেন নিজেকে সার্থক ভাবি জানো?

ফিরে তাকানো

ফিরে তাকানোর কারণ শুধু না
        ফিরে তাকানোর সুখও যখন 
                          তুমি

 

(pc: Aniket)

সুর

কৃষ্ণ ঠুমরি থেকে শুরু করে কত যে চটুল গানে আছেন, সে এক আশ্চয্যি ব্যাপার। কৃষ্ণকে বাদ দিলে ভারতীয় সঙ্গীতের এক বিরাট অংশের উপাদান হারিয়ে যাবে। কি নিয়ে গান বাঁধা হবে? প্রেমকে কোন আয়নায় দেখা হবে? সে তো দেখা হবে বৃন্দাবনে, যমুনায়, মায় নদীয়াতেও।

ভালোবাসাকে নাও

অভিমান মানে কি? নিজেকে বঞ্চিত ভাবার সুখ। সে ভালো নয়। যদি ভালোবাসো তবে সুখের কথা দূরে থাক। দুঃখকে এক একবার দেখে যেও বিছানায়, জামাকাপড়ে, পর্দায়, বাসনে, আসবাবে; সকালে, দুপুরে, সন্ধ্যায়, মধ্যরাতে।

এই যে কালো মাটির বাসা

মেঘ
=====


মেঘের মধ্যে পাহাড়, না পাহাড়ের মধ্যে মেঘ? থেকে থেকেই মুষলধারে নামছে বৃষ্টি, স্নান করে যাচ্ছে দার্জিলিং। 

     এই ভরা শ্রাবণে কেউ পাহাড়ে যায়? 

সে শুনতেই পেল না

সে সারাদিন ধরে রাতের প্রস্তুতি নিত। প্রদীপের সলতেগুলো পাকাতো বসে বসে। রোদ উঠলে গাছের তলায়, আর মেঘলা থাকলে উঠানে বসে। হারিকেনে তেল ভরত, কাঁচগুলো ঘষেমেজে রাখত ঝকঝকে। 

Subscribe to