Skip to main content

শিশির আর শূন্যতা

সব জানলাগুলো বন্ধ। বুকে জমা কফের আওয়াজ ঘড়ঘড় করে যাচ্ছে। আগের থেকে ভালো।

আসবেন, কাজ আছে

অনবরত কড়া নাড়ল, ফিরে যাবে ভাবল। ভিতরে কেউ ছিল? নাকি ছিল না। কাঁচে নাক ঠেকালো। শ্বাসের বাতাস কাঁচে ঘুরে, সব ঝাপসা করে বলল, নেই।

দূরে কুকুর ডাকছে। জঙ্গলের ভিতর থেকে। এত গভীর জঙ্গলে একা একা দাঁড়িয়ে কেন? রাস্তায় পায়ের ছাপ নেই। চলাফেরার নিশানা নেই। হাতলে ধুলো জমে আছে। তবু মনে হচ্ছে কেউ আছে।

ক্যারামবোর্ড

প্রতিটা মানুষের একটা ব্যক্তিগত গন্তব্য থাকে। যা তার চারপাশ আর তার ইচ্ছা-সামর্থ্য তৈরি করে।

আধখানা চাঁদ

     জল পড়ছে বিন্দু বিন্দু। চালা চুঁইয়ে। এমন বৃষ্টি, বাড়ি ফেরা হল না। আশ্রমে থেকে গেলাম। গোঁসাই খাটিয়ার উপর বসে একতারায় মাঝে মাঝে ঠুং ঠুং আওয়া

খবর

নমস্কার, খবর পড়িতেছি, শ্রদ্ধানবদ্ধ মুখোপাধ্যায়,

কেন যাবে?

কোনো কোনো চোখ বড় বিচ্ছিন্ন হয়

জুতো, দর্শন থেকে রসিকতায়

বোধিচর্য্যাবতারে শান্তিদেব লিখছেন,

    "সমস্ত ভূমিকে ঢাকিবার জন্য চর্ম নাই। জুতার চর্মমাত্রের দ্বারাই সমস্ত ভূমি আচ্ছাদিত হয়। সেইরূপ প্রতিকূল বাহ্যভাব সকলকে নিবারণ করা আমার সাধ্য নহে। অতএব নিজের চিত্তকেই নিবারণ করিব; অন্যকে নিবারণ করিয়া আমার কার্য কি?" (5/13-14)

Subscribe to