কেউ একবারও তো
সময় পিছলে গেল তোমার উপর
তোমায় ভাসালো না
আমি এগিয়ে এলাম
সময়ের সাথে কথা বলতে বলতে অনেকটা
অথচ
তুমিও না, সময়ও না
কেউ একবারও তো -
আমায় দাঁড়িয়ে যেতে বললে না
নিত্য শিব সুন্দর
ভক্ত শুনিয়াছে
মহাকাল, দিয়া আপন মন্দিরে দ্বার
বসিয়াছেন তপস্যায়
ভক্ত চিত্ত ধৈরয না মানে
উৎসুক নয়নে চাহি দ্বার পানে
প্রভুর করুণ দৃষ্টিভিক্ষা অপেক্ষায়
ঈর্ষা
ঘুড়ির উপর আলপনা আঁকলে না
মাঞ্জা চাইলে তীক্ষ্ম
আকাশকে উপেক্ষা করে
সারাদিন শুধু গুনলে
এক দুই তিন...
আপনি সরে দাঁড়ান রবীন্দ্রনাথ
আমার চোখের সামনে থেকে রবীন্দ্রনাথকে সরিয়ে নাও
আমি একটা ভাঙনের সামনে দাঁড়িয়ে
স্থবিরত্ব
ক্রমশ তুমি প্রস্তরীভূত হচ্ছ
তোমার নাক, চোখ, কান, হৃদয়, মস্তিষ্ক
ক্রমশ পাথর হয়ে উঠছে
তুমি হাওয়ায় নড়ো না
আগুনে পোড়ো না
জলে ভেজো না অন্তঃস্থল অবধি
তুমি অনড়
তুমি অচল
বোধি পাওনি,
পেয়েছ স্থবিরত্ব
হাঁটছি
দুঃখ আমার সমবয়েসি নয়
আনন্দ আমার সমবয়েসি নয়
ভালোবাসা আমার সমবয়েসি নয়
ঘৃণা আমার সমবয়েসি নয়
এ আকাশ, মাটি, জল, বাতাস, আলো
এরা কেউই আমার সমবয়েসি নয়
এ গ্রহ, তারা, নক্ষত্র, ধূমকেতু
এরাও নয় আমার সমবয়েসি
ইচ্ছা মানে শর্ত নয়
পাশাপাশি দুজন মানুষ হেঁটে গেলে ভাবতাম
বন্ধু, কিম্বা দম্পতি, কিম্বা..
এখন জানি
একে অন্যের শর্তও হতে পারে
আত্মদীপ
অবশেষে তোমার কান্না তোমাকেই কেঁদে নিতে হবে
অবশেষে তোমার ধর্ম তোমাকেই খুঁজে নিতে হবে
অবশেষে তোমার সাথে তোমার ভিতরে
তোমাকেই ঘর বাঁধতে হবে
আমার ভীষণ ভয় করল
ঘাটও চেয়েছিলে শ্যাওলাহীন
খেলার সাথী
ঘরের সব ক'টা দরজা বাজারে, লোকের ভিড়ে না খুলুক
কোনো একটা রাস্তা থাকুক নিরুদ্দেশের বালাই নিয়ে,
অদরকারি, খোলামকুচি, অনাদরের নুড়ি-পাথর
সে দরজার বাইরে অপেক্ষা করুক আমার জন্য,
ওরা বড় আপনার আমার