অ-ভেদ
চাঁদ জানে না
কবে সে ঈদের
পথ জানে না
আজ সে জগন্নাথের
ঈদের চাঁদের আলোয়
স্নাত হয় জগন্নাথ মন্দিরের চূড়ো
আত্মদানে
বিনা অভিযোগে পুড়লাম
অবহেলায়, স্বেচ্ছায়
সমস্ত ছাই হল
তবু সবটুকু ছাইও যখন তোমার দিকেই উড়তে চাইল,
তখন
অমলিন রবীন্দ্রনাথ
অপমানিত হওয়ার অভিজ্ঞতা সংসারে নেই এক পাগল আর শিশু বই কে আছে?
১লা আষাঢ়
তবু চলতে ফিরতে কেন জানি ক্যালেণ্ডারে চোখ। বাংলা দিনপঞ্জিকা তো নেই, ইংরাজী ক্যালেণ্ডারেই চোখ। ইংরাজি সংখ্যার নীচে ক্ষুদে ক্ষুদে অক্ষরে লেখা - ১ আষাঢ়।
ঈর্ষার স্মৃতি হয় না
আগুন যেমন পুড়িয়েও মনে রাখে না
উদাসীন
স্টেশান আবার ট্রেনের অপেক্ষায় কবে থাকল?
নাকি বাসস্ট্যান্ড থাকে বাসের অপেক্ষায়?
অপেক্ষায় তো থাকে যাত্রীরা, যাদের যাওয়ার আছে
কোথাও না কোথাও, দরকারে- অদরকারে
অসহায়তা
আমার কিছু কিছু অসহায়তা তো
আমি নিজেই বুঝি না
তোমায় বোঝাব কি করে?
সুড়ঙ্গ
লোকটা দরজা বানাতে চায়নি
শুধু কয়েকটা সুড়ঙ্গ বানিয়েছিল
একাকীত্ব
এবার কি কেউ এল? কেউ আসেনি, হে আমার সন্তপ্ত হৃদয়
হয়ত কোন পথিক ছিল, চলে যাবে অন্য কোথাও, তার নিজের পথে।
রাত ফুরিয়ে এলো, তারাদের আলোর মায়া হয়ে এলো ম্লান
প্রদীপের স্বপ্ন-শিখা কাঁপছে থরথর দুরন্ত হাওয়ায়
আমার কাছে থাকো
রাত্রির গভীর অন্ধকারের বিষাদে আমার কাছে থাকো
ওগো আমার ঘাতক, ওগো আমার বঁধু
আমার কাছে থাকো
~ ফৈয়জ আহমেদ ফৈয়জ