সে কি এই ভারতবর্ষ?
ওই যে মেয়েটা অভিসারে গেল
ওর যেতেই হয়,
মাথার উপর আকাশ ভাঙা মেঘ
বাইরে ঝোড়ো হাওয়ার সাথে সন্দিহান কুতকুতে চোখ চারদিকে ঝোপেঝাড়ে
প্রাচীন বর্ষা
রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়েছিল। বৃষ্টি পড়ছে সকাল থেকে। একটা ময়লা চাদর জড়িয়ে লোকটা সামনের বাসস্ট্যাণ্ডের দিকে তাকিয়ে। হাতে চায়ের ভাঁড়। তার খেয়াল নেই জল জমতে শুরু করেছে। পায়ের পাতা ডুবে গেছে ইতিমধ্যে। একটা ফাঁকা সিগারেটের প্যাকেট জলে ভাসতে ভা
সব অধ্যায় তো আর উপসংহার নয়!
অভিজ্ঞতা
অবশেষে বাবাকে নিয়ে হাস্পাতাল থেকে ফিরলাম। তা কেমন অভিজ্ঞতা হল? শুনুন বলি।
সময়
হঠাৎ করে সব ফুরিয়ে গেল
ঝরা পাতাটা তার সব বিস্ময়, সব বিহ্বলতা
ছেড়ে আসা বৃন্তক্ষততে রেখে নেমে এলো
জাল
...
দ্বন্দ্ব
মোহর
লোকটা বেলচা করে ময়লা তুলছিল। ময়লার গাড়ি এসেছে সকালবেলা। বিশ্রী বোটকা গন্ধ। শহরের ময়লা মানুষের তৈরি ময়লা। লোকটার আগে কৌতুহল ছিল। এখন নেই। ময়লার রকমেরও সীমা আছে। কিন্তু মাত্রা নেই পরিমাণের। লোকটা উদাস। বেলচা চলছে নিয়মমাফিক ঘচাঘচ।
আগন্তুক
আগন্তুক
তুমি গান থামিও না
সব বাঁকা হাসি
ম্লান হয়ে আসে ধার হারিয়ে
পাতা হাত
গুটিয়ে আসার শক্তি পায়
শূন্য হয়েও
তৃষ্ণা
রাস্তার শেষে কোনো গন্তব্য রাখিনি
দিগন্তরেখাকে রেখেছি
আধপোড়া সলতের বুকে
ভোরের তৃষ্ণাই দেখেছি