Skip to main content

মন্থন

মানুষ আগুনকে জেনেছে
         রান্না করেছে 
            ঘর গ্রাম জ্বালিয়েছে

মানুষ বুদ্ধিকে জেনেছে
          সত্যকে পেয়েছে
              মিথ্যাকে জানিয়েছে যুক্তিতে

স্লেটে

সব কিছু গুনে দেখতে চাইলে
কড় শেষ হল। খাতা শেষ হল। 

গোনার ইচ্ছা শেষ হল কই? 

একদিন সব গোনাগুনতি 
শেষ হয়ে যাবে
       দেখবে
যে গুনছে
    তাকে কোনো গুনতির মধ্যেই 
           ফেলতে পারলে না

হয় তো বা তুমিও চেনো

সারাদিন মানুষটা যা বলে
    বিশ্বাস করে না
একটা বাক্য তিনবার বলে
    "ভীষণ ভালো"
       "ভীষণ ভালো"
          "ভীষণ ভালো"
বিশ্বাস করে না
    তিনবার কেন
      মানুষটা জানে 

সমালোচক আর সংস্কারক

সমালোচক আর সংস্কারকের মধ্যে পার্থক্য আছে। 

    সমালোচককে পারফেক্ট হতে হয়। তর্ক নিপুণ হতে হয়। তথ্য জাহাজ হতে হয়। 

    সংস্কারকের দায় নেই পার্ফেক্ট হওয়ার। তার জিহ্বা অভিশাপমত্ত নয়। নিন্দায়, কষাঘাতে, তর্কে জিতে তার তৃপ্তি নেই। 

এক ও একা

মানুষ অনেকভাবে একা হয়। আদর্শবোধে একা হয়। ঔচিত্যবোধে একা হয়। নীতিবোধে একা হয়। যন্ত্রণায় একা হয়। ভাবনায় একা হয়। 

    মানুষ অনেকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়। লোভে বিচ্ছিন্ন হয়। ঈর্ষায় বিচ্ছিন্ন হয়। আতঙ্কে বিচ্ছিন্ন হয়। আশঙ্কায় বিচ্ছিন্ন হয়। ষড়যন্ত্রে বিচ্ছিন্ন হয়। স্বার্থপরতায় বিচ্ছিন্ন হয়। 

এই সই

তুমি নও
আমিও নই

যাদের খুঁজতে এসেছিলাম,
তাদের লুকিয়ে
এই যে আমরা রোজ বাঁচছি মুখোমুখি 

"বই হয়ে যেও না"

খবরটা দেখামাত্র উনি লাইব্রেরি ঢুকলেন। স্ত্রী, ছেলে, মা, বাবা, চাকর, বন্ধুবান্ধব --- সব্বাইকে বললেন, বিরক্ত না করতে। দরজার কাছেই খাবার রেখে আসতে। 

    উনি শুরু করলেন পড়া। প্রথমে বিশ্বসৃষ্টির রহস্য। নানা মত। সায়ানোজেন মতবাদ। ওপারেন হ্যাল্ডেনের কথা। দানিকেনের কথা। 

এই তো প্রথম নয়

এই তো প্রথম নয়
সব জানলা দরজা বন্ধ করে কেউ বলল
    এই আলো। এই সুখ। এই নির্ভুল ব্যবস্থাপনা। 

এই তো প্রথম নয়
প্রাণের বিনিময়ের শর্ত হল স্বাধীনতা
    কিম্বা পরাধীনতার বিনিময়ে জীবন 

এই তো প্রথম নয়
জরায়ুর থেকে বিচ্ছিন্ন হল 
    হৃদয়, শুভবোধ, আত্মসম্মান

দ্য লাস্ট গার্ল

বইটা নিশ্চয়ই অনেকের পড়া। বা অনেকে নিশ্চয়ই শুনেছেন বইটার কথা। অথবা মুরাদের মুখে মুরাদের যৌনদাসী হয়ে থাকার অভিজ্ঞতার কথা। আবার অনেকে নিশ্চয়ই এড়িয়ে গেছেন, বা পড়তে পারেননি। এবং অনেকে হয় তো শোনেনওনি এই বইটার ব্যাপারে কিছু, কিম্বা মুরাদের বিষয়ে কিছু।

চলো প্যাঁদাই, কিছু করে দেখাই

ধইঞ্চা গাছের ঝাড়ের নীচে চুল্লু খেয়ে টাল হয়ে পড়ে আছে শিবে।

    নক্ষত্র টলতে টলতে তার পাশে গিয়ে বসে জিজ্ঞাসা করল, বাড়ি যাবি না?

    শিবে বলল, নাহ্, মনটা বিষিয়ে গেছে....

    নক্ষত্র বলল, ক্যানো রে?

Subscribe to