Skip to main content

শূন্য মন্দির মোর

"এ ভরা বাদর, মাহ ভাদর, শূন্য মন্দির মোর", বিদ্যাপতি লিখলেন। সুর তিনি কি করেছিলেন জানা নেই। রবীন্দ্রনাথ যে সুরটা করলেন, সেটা জানি। 

     বিদ্যাপতির লেখায় বিরহের সুর। শেষে প্রশ্ন, কি করে হরি বিনা দিন রাত কাটাবি? “বিদ্যাপতি কহ কৈছে গোঙায়বি হরি বিনে দিন রাতিয়া”। 

সাগর সামাল দেওয়া লাঠি

এ কদিন যতবার রাস্তায় বেরোলাম চোখে পড়ল শুধু পুলিশ, পুলিশ আর পুলিশ। কলকাতায় যেমন চোখে পড়ল, তেমনই কালনা থেকে ফেরার সময় বিভিন্ন মণ্ডপের সামনে চোখে পড়ল পুলিশ আর পুলিশ।

ছাতা

ব্যাঙ বলল, এরই মধ্যে যাবি স্কুলে? আরাধ্যা বলল, যাবই তো... আমার যে পরীক্ষা। ব্যাঙ বলল, কি পরীক্ষা ভাই? আমি তো জানতাম এই বৃষ্টিতে আমরাই শুধু বেরোই। তবে তোর ছাতাটা যদি দিতিস।

নাছোড় কম্পাস

(মামুর জেনারেশন যে ভাষায় কথা বলে)

 

কলঙ্ক

গোঁসাই বলল, দেখো, যে দীঘিতেই নামো, শরীর ভিজবে। কিন্তু মন ভরবে না। যদি একবার নিজের দীঘির সন্ধান পাও, হারিও না। এ দীঘি, সে দীঘির জলে নেমে শরীর ভিজিয়ে বেড়িও না। মন থেকে যাবে শুষ্ক। রিক্ত। একা।

সব আছে 

হাসি মানে সুখ নয়
হাসি মানে
   নেই ভয়, নেই ভয়
গোলমাল, অনিষ্ট
      সুসময়ে অসময়
সব আছে, সব আছে 
 তবু, ভয় মানে অপচয় 

(ছবি Prosenjit Aich)

প্রতিদিন

প্রতিদিন আমার একটা করে ঘোর ভেঙে যাক
 
প্রতিদিন আমি নতুন করে বুঝি
আমার বোঝার বাইরে সংসারে যা আছে
     তা অসীম
 
প্রতিদিন আমি নিজের কাছে ফিরি
ধুলোকাদা মেখে
      নিজেকে বলি, এই তো বেশ
        একটা বুদবুদ হারিয়ে গেলে
          সাগরের কিছু আসে যায় না

প্রলাপ

অকালে রাণী গেলা
কি দরিদ্র জীবন জিয়ে

নেটিজেন কাঁদি উঠে
ফুকারি ফুকারি হিয়ে 

বলে সবে ওগো রাজা
জাতীয় শোক কর ঘোষণা

পথে ঘাটে পর্দা টাঙি
হউক "ক্রাউন" প্রচারণা 

কি নির্লজ্জ বিরাট বাবা
শোকতাপ নাহি মানে

গত রাণীর জাতীয় খেলা
এরই মধ্যে সেঞ্চুরি হানে?

ব্যাট উঁচায়ে আকাশ পানে
কি দম্ভ প্রকাশ করে!

Subscribe to