Skip to main content

জীবন-মরণ

তার আসা যাওয়া 
আমার বুকের অলিতে গলিতে যখন তখন

এখানে ওখানে তার পায়ের ছাপ
    যেখানে যেখানে নরম মাটি
সে যে নরম মাটিতেই হাঁটে, শুনেছি তার কোমল চরণ

মূর্খ হয়েই বাঁচি

আমার দিদিমা 
   ঘুম থেকে উঠে মাটিতে পা রাখার আগে 
                 মাটিকে প্রণাম জানাতেন

আমি জানাই না। মাটি জড় আমার জ্ঞানে।

দ্বিধা

তুমি পাশে বসে।
হাওয়ার মত চঞ্চল
    তবু আমায় ঘিরে
       আমায় ছুঁয়ে।

তুমি বলো

তুমি অনুরোধ করলে
   কবিতা লিখতে পারিনি কোনোদিন

আজও পারি না।

আমি কবিতা লিখি তোমার চোখের জন্য
     তোমার চোখের ভাষায় কথা বলার শব্দদের খুঁজি

বাঁকা রাস্তা

বাঁকা রাস্তা। সোজা হাঁটার চেষ্টা করো। তুমি আদর্শবাদী।

বাঁকা রাস্তা। বাঁকা হাঁটার অভ্যাস তোমার। তুমি সুবিধাবাদী।

বাঁকা রাস্তা। রাস্তাটাকে সোজা করার চেষ্টা করো। আরে আরে পাগল হলি!

কবে যেন

তোমার ঠোঁট রেখেছিলে আমার ঠোঁটে
      কয়েক নিমেষ
হাওয়ার সাথে মিলিয়ে গেলে পরক্ষণেই

ওম

ওমেরও জাগতে ইচ্ছা করল না
    ঋতুরও করেনি

কেন?

কাজ ফুরিয়ে গিয়েছিল?
  বাড়তি শ্বাস-প্রশ্বাসে ঋণী হতে চায়নি?

সফল

ওই যে অশান্ত নাতিকে কোল দিয়ে বসে অশক্ত ঠাকুমা,
একমুখ তৃপ্তিতে তার আনন ছাওয়া!
...

অ-সভ্য

ভাঁড়ে চা দাও
  একটু না হয় মেটে গন্ধ থাক
লাওপালাগুলো তুলে রাখো

ওপার

নিয়ে যাওয়া যায় না
ফিরে আসা যায় না

রেখে যাওয়া যায়
ফেলে যাওয়া যায়

এখানে ওখানে
উচ্ছিষ্ট খুঁজে ফেরে স্মৃতিরা

Subscribe to কবিতা