জীবন সত্যের থেকে কিছুটা বেশি
জীবন সত্যের থেকে কিছুটা বেশি
তা বলে সে মিথ্যা নয়
শুধু সত্যের থেকে কিছুটা বেশি
বাঁশিওয়ালা
খোঁজ থাকে। কিসের খোঁজ বুঝি না। মানুষের যে ঈশ্বরের খোঁজ, সেই ঈশ্বরের কথা কত বইতে কত ভাবে। কত আবেগ, কত নীতি, কত বর্ণনা, তার কোনো শেষ নেই। মোদ্দা কথা মানুষের নিজের ভিতর নিজেকে নিয়ে একটা বোঝাপড়ার যেন আর শেষ নেই। যেই তুমি মনে করেছ একটা জায়গায় এসে পৌঁছেছ, অমনি এমন একটা ঢেউ এলো যে সব এলোমেলো হয়ে গেল। তুমি যা যা ভেবে রেখেছিলে সব গেল গুলিয়ে। কিচ্ছু নিজের ম
স্বপ্নরা বড় হিসেবি আজকাল
প্রচণ্ড রেগে থাকা এক ঝাঁক পাখি
ভোরের আলোকে ক্ষত-বিক্ষত করছে খাঁচার ভিতর থেকে
ঘুম ভাঙল সেই চীৎকারে
মনে হল এরকম চীৎকার শুনিনি তো বহুদিন
এত প্রতিবাদ!
আমি ফিরব
ঘড়ির কাঁটার আবর্ত বদ্ধ সময়
আকাশ চরা পরিযায়ী মেঘ
বকের ডানার নিঃশব্দ আন্দোলন
সময়, আলিঙ্গন খোলো
আমি ফিরব
তুমি কি বার্তা পাঠিয়েছিলে
যতবার তোমার সামনে এসে দাঁড়াতে চেয়েছি
যতবার তোমার সামনে এসে দাঁড়াতে চেয়েছি
তোমার মুখের দিকে তাকিয়েছি,
বলেছ, নিজেকে নিয়ে এসো
জিজ্ঞাসা করেছি, আমি কোথায়?
বলেছ, যেখানে তোমার সহজ আনন্দ, সেথায়
গীতবিতানের যেমন শেষপাতা নেই
...
এরা কোন দেশের ঠাকুমা?
পাখিটা ডাকতেই ছেলেটা ঘরের বাইরে এসে দাঁড়ালো। এক হাতে একটা আধ খাওয়া পেয়ারা। ছুঁড়ে ফেলে দিল পুকুরের জলে। ধুপ্ করে আওয়াজ করে, একটা গোল চাকতি ঢেউ তুলে পেয়ারাটা ডুবে গেল। পুকুরের জলে ভাসা নারকেল গাছের ছায়াগুলো উড়ন্ত কাপড়ের মত দুলে উঠল। ছেলেটা ভালো করে খেয়াল করল দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। দাঁতের ফাঁকে একটা বিচ
মৃত অপলক চোখে
জানলাটা বহু পুরোনো ডিজাইনের, এরকম লোহার কাজ এখন খুব একটা দেখা যায় না। তিনটে হাঁস জলে ভাসছে। লোহার ঢেউ, লোহার হাঁস। আমি যখন ছোটো ছিলাম, আমার মনে হত আমারও এরকম একটা হাঁসওয়ালা জানলা থাকবে। পরে অবশ্য সে ইচ্ছাও থাকল না, আর ডিজাইনটাও সেকেলে হয়ে গেল।
ডালপালা
দিন গড়িয়ে বিকাল হল। সন্ধ্যা হব হব। সন্ধ্যার আকাশে ঘরে ফেরা পাখির ঢল, তা দেখতে দেখতে বিভোর হলাম। পাখির সংখ্যা গুনতে গিয়ে আঙুলের কড় হারালাম। গতিপথ বুঝতে দিক হারালাম। হঠাৎ মনে এলো ডালপালার আড়ালের পাখিটার কথা। পাখিটা কি উড়ে গেছে? ওই ঘরে ফেরা পাখিদের মধ্যে কি ছিল ও? ডালপালা সরিয়ে দেখতে ভয়, অপেক্ষায় উদ্বিগ্নতা এখন।
...