দুটো বিচ্ছিন্ন বিন্দুর সংযোগ
হলিউড অসম্ভব কিছু ভালো সিনেমা বানিয়েছে বিজ্ঞানীদের উপর। আমাদের খেলোয়াড়, সাধক, অপরাধী, তারকা ইত্যাদিদের জীবনী বানিয়ে যদি কিছু রিল বা সময় বাকি থাকে তবে সেই ধরণের সিনেমা বানানো হোক না। বিজ্ঞান আর বিজ্ঞানীদের উপর।
মাটি না ধূমকেতু?
মানুষের চাহিদার শেষ নেই। ধন,মান,যশ ইত্যাদি ইত্যাদি। কত কত মহাপুরুষেরা সাবধান করে গেলেন যুগ যুগ ধরে, 'ওরে অত চাস নে, চাস নে', তা কে শোনে কার কথা! আমিও শুনিনা, তুমিও শোনো না, রাম শ্যাম যদু মধু কেহই শোনে না।
তবু একদিন
তবু একদিন
একট্রেন বোঝাই অফিসযাত্রী চীৎকার করে উঠবে - আর না!
এক শপিংমল ভরতি মানুষ চীৎকার করে বলবে -
তফাৎ যাও!
ট্র্যাফিকে দাঁড়িয়ে থাকা অজস্র মানুষ চীৎকার করে বলবে -
রাস্তা ছাড়ো!
সিনেমাহলের সব কটা মানুষ উঠে দাঁড়িয়ে বলবে -
চুপ করো!
স্কুলের টিফিন পিরিয়ডে বাচ্চাগুলো জড়ো হয়ে বলবে -
গাছ চেনাও, কালো বোর্ডটা সরাও!
বারুদ জমাচ্ছো
বারুদ জমাচ্ছো। জমিয়ে যাও যাও।
শুধু মনে রেখো,
আগুন কিন্তু সীমানা মানে না।
I Think
One of the greatest irony may be, when a conservative, fanatic, biased person starts his/ her sentence like this - "I think...."
কলম থামে না কার্তুজের শাসনে
ভাঙা আয়নাতেও ভয়, একই সূর্যের অবাধ্য প্রতিফলনে
আমার শিক্ষক আর ছাত্রছাত্রীরা
আমার শিক্ষক আর ছাত্রছাত্রীরা..
স্পষ্ট
স্পষ্ট তাকিয়েছিলাম
স্পষ্ট তাকালে তুমিও
স্পষ্ট কথা বললাম
স্পষ্ট কথাগুলো তোমারও
রেস্টুরেন্টের খাওয়ার বিল
সংশয় নেই, স্পষ্ট হিসাব
মিটিয়ে উঠলাম
উঠে দাঁড়ালে তুমিও
তাড়া আছে
তাড়া তো আছে তোমারও
তবু কেন যেন বেয়াড়া কষ্ট
বুক তো চিরছে তোমারও
দ্বিধা
একটা চেয়ার নিজেকে বলত টেবিল। টেবিলের পাশে তাকে রাখলেই সে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠত। আর একা হলেই সে নিজেকে বলতে শুরু করত - আমি টেবিল... আমি টেবিল... আমি টেবিল।
খারাপ পোস্ট
রবীন্দ্রনাথের পর বোধ করি এই প্রথম কোনো বঙ্গকবি এত বিদেশ ভ্রমণ করিতেছেন। তাহাতে বাংলা সাহিত্যের কি প্রসার বা উন্নতি হইতেছে বলিতে পারিনে কিন্তু বাঙালী পাঠক-পাঠিকাকূলের হৃদয়ে গভীর আন্তর্জাতিক ভাব জাগিতেছে। এতদিন কবিরা চৌরঙ্গী, খোয়াই, ময়দান, পুরীর সমুদ্রসৈকত কিম্বা কাঞ্চনজঙ্ঘার দিকে মুখ ফিরাইয়া কিম্বা পাছু ফিরাইয়া ছবি তুলিবেন, ইহাই রীতি ছিল। সে রীতি ভাঙিয়া কবির বিদেশের নদনদী, পথঘাট, রেস্তোরাঁ, বিদে