Skip to main content

বলেছিল, যাবে না


বলেছিল, যাবে না
  তবু গিয়েছিল

মন বলেছিল, 
  ফিরবে না

ফিরেওছিল

মন বলেছিল, 
  থাকবে না

থেকেওছিল

মন বলেছিল -
  ঠকব না

তবু ঠকেওছিল

মন বলেছিল
  ভালোবাসবে না

চাঁদ


চাঁদ, 
চাঁদের মুখ ভার
   মেঘের আড়ালে তুমি
     তারও মেঘের আড়াল আজ

দেওয়ালের রঙের আলোচনা হল


দেওয়ালের রঙের আলোচনা হল
দরজার কাঠ, 
  বাড়ির সম্ভাব্য আসবাব, সাজসরঞ্জাম 
        সে নিয়েও কথা হল

বাকি শুধু ভিতের আলোচনাটা
     কতটা গভীর, কতটা পোক্ত হবে?
   সে আলোচনা আজও হচ্ছে-হবেই রইল

নানান ঘোরে তুফান তোলে

        দর্শন শুষ্ক, অনেকে বলেন। যদিও আমার কাছে আজ অবধি তা মনে হয়নি কখনও। নিজেকে জানার, নিজের বাইরে ভিতরে আসা যাওয়া করার এর থেকে ভালো পথ আর দেখি না। প্রতিটা অনুভবের একটা ছায়া থাকে। সে ছায়ার থেকে সরে দাঁড়িয়ে যদি কিছুক্ষণ নিবিষ্ট চিত্তে সেই ছায়ার দিকে তাকিয়ে থাকা যায়, ত

অনেক মানুষকে পাশ কাটিয়ে এগোতে এগোতে


অনেক মানুষকে পাশ কাটিয়ে এগোতে এগোতে
     অনেকটা এগিয়ে এসে, খানিক থেমে
প্রথম কাটিয়ে আসা মানুষটার কাছে
       আবার ফিরে যেতে ইচ্ছা করে,
তাকে যেন কি একটা বলা হয়নি

মহাত্মা

তখন আমি ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। অনেক কিছুই পড়া হয়ে গেছে। কিন্তু কোথাও একটা ফাঁক থেকে যাচ্ছে। যে জীবনটা খুঁজছি, তার আভাস তো পাচ্ছি, কিন্তু তাকে ধরতে পাচ্ছি না। এমন সময় একটা দূর্গাপূজোর আগে, আমার এক বন্ধুর বাড়ি গেছি। তার বাড়িতে তাদের বইয়ের আলমারিতে পেলাম বইটা। কিরকম একটা কৌতুহল জাগল। আবার একটা কুন্ঠাও।

বাসি


এমন কিছু ছিল না হয়ত 
   তবু মন খারাপটা ছিল

কিছু মন যেন এখনও বাসি
  কড়া পড়া পা
     কিসেতে হোঁচট খেলো?

শুধু যুক্তি না তো


শুধু যুক্তি না তো
সময়ও যে গো লাগে 
ক্যালেণ্ডারের পাতা ওল্টালেই বসন্ত আসে না
      শীতের কুয়াশা মিলিয়ে যাক আগে

অনুরোধ


তোমাকে আমায় কেন্দ্র করে ঘুরতে হবে না

শুধু দিনের শেষে, 
   যেখানে আমি দাঁড়িয়ে
         সেখানে ফিরে এসো

যদি না ফেরো,
       জানি হারিয়ে যাবে না

আমার নিজেকে অপরিচিত লাগবে

প্রতিবাদ


আসলে খুব খারাপ শব্দ প্রয়োগ করলেই প্রতিবাদ করা হয় না
কিম্বা গগনভেদী চীৎকার করলেও প্রতিবাদ জানানো হয়, 

তা না
       বড় জোর কয়েকটা কাল-চিল উড়তে পারে
            অজ্ঞতা বা ভণ্ডামি না

Subscribe to
↑