Skip to main content

ওরে ভাই মিথ্যা ভেবো না

দুশ্চিন্তা কিসের এত? আমার ভাবনাই শেষ কথা? তা তো নয়। আমার ভাবনার পরে আরো কিছু আছে। সে ভাবনা না, সে ঘটনা। যা ঘটে চলেছে। সেকি আমার ভাবনার অপেক্ষা করে?

এখনই... এমনিই

গুরু বেণারস যাওয়ার টিকিট কেটে, খাটে বসে, পা দুলিয়ে দুলিয়ে, দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে মুড়ি চিবাচ্ছিলেন।

সেই বিশ্বাসে

আসলে আমরা কেউ স্বীকার করতে চাইছি না
   আমরা আলো হারিয়েছি
  আমরা যে যার মত
        ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গণ্ডি টেনে
নিজেদের অন্ধকার উদযাপন করছি সোল্লাসে 

ডুব

ট্রেনের মাথাটা দেখা যাচ্ছে। সিগন্যাল লাল। স্টেশানে লোক নেই। দাঁড়াবার কথা নয় ট্রেনটার। পূর্ণিমার চাঁদ। রেললাইনের উপর আমগাছের ছায়া। বোলের গন্ধ নেশার মত।

মনের গুহায়

যেখানে যত আঘাত পেয়েছ
    জমিয়ে রেখেছ
         গভীর সুখে
            গোপন সুখে 
              মনের গুহায় 

সবই রঙের কারচুপি

তুমি তো কপট নও
     তুমি তো বহুরূপী 

অভিনেতা কি প্রতিশ্রুতি দেয়?
    কি যে বলো!
            সবই রঙের কারচুপি

ভালো শিক্ষা

সেই ছোটোবেলায় এরকম হত, আপনাদের সঙ্গেও নিশ্চয়ই হয়েছে, ধরুন একজন বল হারিয়ে ফেলেছে, তখন তার উপর দায়িত্ব পড়ত সে যেন মাঠে নতুন বল নিয়ে আসে। কিম্বা ধরুন কেউ কারোর পেন হারিয়ে ফেলেছে, বা পেন্সিল বক্স ইচ্ছা করে ভেঙে দিয়েছে, তখন তাকে কিনে এনে দিতে হত। তারপর আমাদের উঁচু ক্লাসের প্র‍্যাক্টিকাল রুমের কথাই ভাবুন না, কি হত স

এ বুদ্ধিকে কি বলো তুমি?

এই যে মাঝে মাঝে
   যাব যাব বাই ওঠে তোমার
ভাবটা এমন
     যেন ধুম করে চলে গেলেই হয়
চৌকাঠ পেরোলেই আদিগন্ত সমুদ্র
   নাকি খোলা তেপান্তরের মাঠ
       নাকি হিমালয়ের কোল 
কারা এত ডাকে তোমায়? 
আমার মুখের দিকে তাকিয়ে
      সত্যি করে বলো তো?
হাতের নাগালে যা আছে

অন্তরে আর বাহিরে তাই..

রাধাকান্তবাবুর বহুদিনের অভ্যাস, ঘুম থেকে উঠে কখনও হাতে তালি দিয়ে, কখনও খোল বাজিয়ে, খঞ্জনি বাজিয়ে রামনাম করেন। কখনও "প্রেম মুদিত মন সে কহো রাম রাম রাম, শ্রীরাম রাম রাম"....কখনও "শ্রীরামচন্দ্র কৃপালু ভজ মন".. এইসব ভজন গান। বাড়ির লোক, পাড়াপ্রতিবেশী সকলে তার সরল প্রাণের ভক্তিতে আবিষ্ট হয়ে, সাধু সাধু বলেন। 

ক্ষণিকের দেখা হওয়া

ক্ষণিকের দেখা হওয়া
তারপর ফিরে যাওয়া
এইটুকু তো কাব্য
মন খারাপের শুরু
আর
মন খারাপের শেষ হওয়া


(ছবি Aniket Ghosh)

Subscribe to
↑