Skip to main content

সোজা সাপটা


সত্যে মিথ্যায়
আলোতে আঁধারে
   জড়ানো চিরটাকাল
ছিল, আছে, থাকবেও

কিছু মানুষ চীৎকার করে ধূলো উড়াবে
বিভ্রান্ত করবে 
    তাদের আছে উদ্দেশ্যের দায়
এরাও আছে চিরটাকাল, থাকবেও

ব্যর্থ


বীজটাকে হাতে করেই বেড়ালো
না নিজে মিশল বীজে
না বীজকে মেশালো নিজেতে

না জন্মাল গাছ
না ফুটল ফুল
না ধরল ফল

শুকনো বীজের খোসা হাওয়ায় উড়ছে
সে খোসাগুলোর নাম দিয়ে দিয়ে
            রাখছে গুদোম ঘরে জমিয়ে

যেন খোসা থেকেই জন্মাবে গাছ

ফুলকি


ছেলের গোত্র কি?
মেয়ের?

এ বাবা!

এ গোত্র চলে না যে!

নমো শুদ্দুরের সাথে বামুন!
আরে মিত্তিররা কি গোত্রের হয়?
কি বললেন?
আর, পাল? কর্মকার? 
আরে শুনতে পাচ্ছি না যে....

বাঁক



---

দিয়া


তুমি চোরাবালি না ভুলভুলাইয়া
কি সুখ বলতে পারো?
     তোমার শিখায় জ্বলে পুড়ে
                     কাজল হয়ে
তোমার চোখের কিনারাতেই

বদল


স্যুটকেশটা হাতে করে রিকশায় উঠল
তারপর উঠল ট্রেনে
                  শুলো বাঙ্কে
দু'জোড়া সতর্ক চোখ থাকল চেয়ে - 
          যেন নীচে না পড়ে

শুধু কালের অপেক্ষা


তবে কি সব ভণ্ডামী ছিল?
হাতে হাত রাখা
   কাঁধে হাত রাখা
হাসিগুলো ছিল সৌজন্যের?
             প্রাণের না?

তবে এত অসহিষ্ণুতা কেন?

তবে কি গোপনে গোপনে সবাই আমরা
     বারুদ সাজাচ্ছিলাম?
শাণ দিয়ে রাখছিলাম ছুরি, কাটারী?

কথা ছিল


কথা ছিল একসাথে যাব স্নানে
                    দীঘির জলে
একসাথে দেব ডুব
       একসাথে উঠব পাড়ে

বনসাই


একটা বটগাছের বনসাই
তার আকার এখন
  একজন প্রমাণ লোকের হাঁটুর কাছাকাছি

তাতেই হল সুবিধা

গাছটা পেল না মাথা তুলতে
গাছটা পেল না মোটা গুঁড়ি বানাতে
গাছটা পেল না আকাশের নাগাল,
                     তার ডালপালা ছড়িয়ে

আবার একটা মৃত্যু

আবার একটা মৃত্যু! না ইতিহাসের দৃষ্টিতে নতুন কিছু না। শুধু ইতিহাসের গতিপথটা বুঝছি না। 
 
বার্টান্ড রাসেলের দুটো উক্তি ভীষণ ভাবে মনে আসছে। ওনার জীবনের একদম শেষের দিকে একটা টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে, ওনাকে আগামী প্রজন্মের জন্য কিছু বলতে বলা হয়েছিল (ইউটিউবে প্রাপ্য)।

Subscribe to