Skip to main content

অনুরাগ

কাল বয়ে যাক
তুমি তাকাও, না তাকাও
  আমার রাঙা অনুরাগ
    তোমারই জন্য
         শুধু তোমার জন্য
  পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে ক্লান্ত হতে পারে
      আমার উন্মুখ হৃদয় নয়


(চৈত্রাবসানে Samiran দার উপহার)

একাকীত্ব

তোমার ব্যস্ততা আর আমার একাকীত্ব
দু'জনেই দুজনকে এড়িয়ে চলে
চেনা রাস্তায় দুজনেই অচেনার ভান করে
আড়চোখে বিনা ছকে এক্কাদোক্কা খেলে

মুখ্যু ঢেকি

খুঁজবি কেন শূন্যে বসে?
কল্পনারই অঙ্ক কষে!
আছের মধ্যে দেখ দেখি
যে আছে তারে চিনিস নাকি?
তার ফাঁকিতে পড়েছে সবাই
চোখ বেঁধে নাচ ধিতাই ধিতাই

চুরি

তুমি যাওয়ার পর
তন্নতন্ন খুঁজলাম সারা ঘর

কি খুঁজলাম?

কি আবার,
রাতের ঘুম আমার!

নিয়ে গেছো তাতে ক্ষতি নেই
       বলে যাবে তো একবার!

নীল

কাজের দিদি সাতসক্কালে এসে উপস্থিত। বললাম, এত সকাল সকাল? সে বলল, আজ নীলের উপোস যে। তাড়াতাড়ি কাজ সেরে গঙ্গায় যাব স্নানে।

খানিক পর রান্নার দিদি। সেও তাড়াতাড়ি। কারণ এক, নীলের উপোস। মায়ের, সন্তানের মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা।

সীমা মানে

সীমা মানে লক্ষণরেখা না তো!
সীমা মানে নিজের বুক ভরে
    নিজের মত বাতাস নিতে পারা

সীমা মানে পাথর তোলা পাঁচিল না তো!
সীমা মানে দু'চোখ ভরে
   আমার মত আকাশ দেখতে পারা

সীমা মানে শিকল না তো!
সীমা মানে জীবনকে আমার
   সুখে দুঃখে কোলে তুলে নিয়ে হাঁটা

ছল

তুমি দূরে থাকলে
নিজের চোখকে এড়িয়ে যাই

ওর সব প্রশ্নের উত্তর আমি কি ছাই জানি!

তাই বুকের উপর ঢাকনা টেনে পাড়া বেড়াতে যাই

কিছু কথা মনে করেই ভুলতে হয়,
                    তা নিয়ম করে মানি!

হাজার দূরত্ব সরিয়েও

কেউ কেউ অখণ্ড অবসর নিয়ে ফেরে
হাজার কাজের দমবন্ধ করা ভীড়েও
কেউ কেউ দৃষ্টির আলিঙ্গনে আশ্রয় নিয়ে ফেরে
হাজার বেড়া, হাজার দূরত্ব সরিয়েও

একলা না

মশারির চারদিকটা ভাল করে গোঁজা হল কিনা দেখতে দেখতে ওনার বেশ কিছুটা সময় কেটে যায়। মাথার কাছে টর্চ, জলের বোতল নিয়ে যখন বিছানায় ঢোকেন, মনে হয় এ যেন তার রাতের সংসার। একা মানুষটা কাটাল দোকা ভাবে সাঁইত্রিশ বছর। তারপর হঠাৎ এখন একা। নিঃসন্তান বলে না, দুর সন্তান বলে। বাইরের দূরত্ব না, ভিতরে।

অপরাজিতার খোঁজে

আসল যেন উজান ঠেলে
তার পায়ে লাগল বালি
   সারা গায়ে মাখল ধুলো
এসে বসল হাটের এক পাশে
    সবার মধ্যেই, সবার অলক্ষ্যে

Subscribe to