কাছে দূরে
প্রেম করবেই ঠিক করেছিল
কাছে আসলেই থমকে গিয়ে বলত
না না না, এখন না।
মনে বলত, এ সে না, এ সে না।
এখন সে থাকে, কার যেন একটা সাথে
প্রেমের কথা বললেই বলে, ও সব মিছেকথা,
ছেলে ধরানো কথা, মেয়ে বোকানো কথা।
সূর্যাস্তের পথ
মহৎ সমীপে
কাল গভীর রাতে ছাদে এসে দাঁড়ালাম। সারাটা আকাশ জ্যোৎস্নায় ভেসে যাচ্ছে। আশেপাশে গাছগুলোর মাথায় চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়ছে দুধ সাদা রঙ। ঠান্ডা বাতাস দুরন্ত বাচ্চার মত শরীরকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে। দেহ শীতল হচ্ছে। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, 'এই যে বাতাস দেহে করে অমৃতক্ষরণ'।
তোমার অপেক্ষায়
তোমার অপেক্ষায়
তোমারই পথ চেয়ে
সময়ের স্রোতে স্নান
আগমনী গেয়ে
(ছবিঃ Pritam Pal)
খাঁটি সোনা
গঙ্গার ধারটা বিকালে প্রচুর লোকজন হয় এখন। বিশুপাগলার রাগ হয়। অকারণেই রাগ হয়। এত লোক কেন? আগে তো হত না। সে সবাইকে মুখ খারাপ করে। যেদিন প্রচণ্ড রাগ হয়, সেদিন থুতুও ছিটিয়ে দেয় লোকেদের গায়ে। আর দেবে নাই বা কেন? এই গঙ্গার ধারটা তো জঙ্গলই ছিল। বিশু পাগলা আগে শ্মাশানে থাকত। তা বছর তিরিশ আগের কথা। তারপর এই জলা জঙ্গলটায়। সে আর কালু, হরেন, ডাবলু। এরা সব ওর নেড়ি কুকুরের দল। তারা কোথায় এখন?
মেঘনীল
দ্বন্দ্ব
রাস্তাটা নিজের হাতে দু'টুকরো করে কাটলে
এখন নিজেকে দু'টুকরো করবে কিনা ভাবছ
চেনা রাস্তার একঘেয়েমিতে ঘরের ভিত নাড়লে
একই গুটি সাজিয়ে বসে
নিজেকে নিজেরই প্রতিপক্ষ করছ
বাউল
ভোট অম্বল
স্লোগানে স্লোগানে আকাশ বাতাস মুখরিত ভরপুর
নরমে গরমে গরজি উঠিছে জনতা কর্ণপুর
সকলের ভাল করিবার লাগি তাহাদের ব্যাকুলতা
"ছাড়িয়া দেগো মা কাঁদিয়া বাঁচি" উঠিছে মর্মব্যাথা
তবু ছাড়িবে না, করিবেই ভাল, মিলিয়া কিম্বা একা
কার মতদান কে করিয়া যায়, কার মুখে কার কথা!
ওগো ভোটনাথ, কর্ণ, মর্ম হয়েছে ভীষণ তপ্ত
ক্ষ্যামা দাও এবে, ঝরেছে তো কত রক্তও
এখনই না
এখনই যাবে কি?
বাতাসে না আছে ফুলের গন্ধ
না বারুদের