Skip to main content

শূন্য হাতে

সব ঋণ শুধে বাড়ি ফিরে গেলে

       শূন্য হাতে

এখন শুধু সময় গোনার পালা

       দিনে রাতে


(ছবিঃ সমীরণ নন্দী)

কাদের দোষে?

কাদের দোষে? কারা দায়ী? কার গাফিলতি? কোন দল?

ভাঙাপুলের নীচে এ আওয়াজ যায় না

অর্ধমৃত শরীর আগলে, গলা বাড়িয়ে
             চাইছে জল, শুধুই জল
                     আর ওঠার বল

উদাস

এখনো সেদিকে তাকিয়ে থাকার অভ্যেস
এখনো শিরদাঁড়ায় যন্ত্রণা দেয় ঠাণ্ডা বাতাস
এখনো চোখের কোণে জমা জল, দ্বিধায়
এখনো গল্পগুলো শেষ লাইনে এসে উদাস

 

আমার কবিতা

আমার কবিতার পায়ে কাদা লাগে
 পুরোনো ঘরে মাথা নীচু করে ঢুকতে গিয়ে
  আমার কবিতার মাথায় ঝুলও লাগে
আমার কবিতার জ্বর হয়
  মন খারাপ হয়

আমার কবিতা শুধু ভাসে না, হাঁটেও
   হাঁটতে না পেলে হামাগুড়িও দেয়

তোমায় একটু ছুঁয়ে দেখে আসে
 তোমার কি জ্বর? না মন খারাপ?
  ভাল আছো কি?

দোহাই

আমার দুর্বলতা
আমার ভয়
আমার ব্যাকুলতা
আমার নিরাপত্তাহীনতা

এ সব নিয়ে
আমি তোমার দরজায় আসব
যে তুমি ভগবান নও,
যে তুমি মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ব
            তার কাছে

ভুলে যাও

কেউ দেওয়াল নোংরা করে যেতেই পারে
অপেক্ষায় থেকো না যে -
সে-ই আবার জল ন্যাতা নিয়ে আসবে
                      দাগ মুছতে

অপেক্ষায় দাগটাই পাকা হয় শুধু

নিজেই মুছে ফেলো
    অন্তত দেওয়ালটার কথা ভেবে

তুঁহুঁ মম মাধব

ক্ষ্যাপা তুই কি রাস্তা গুলিয়েছিস?
এদিক ওদিক ঝোপঝাড়ের মধ্যে
      কি মাতাল করা ফুল ফুটিয়েছিস?

জানিস না, আমার বাঁধানো পথ?
জানিস না, আমার পাকা দেওয়াল?
জানিস না, আমি কাজের মানুষ?

বদভ্যেস


কারোর কারোর মিথ্যা বলতে
তেমন কোনো কারণ লাগে না
সন্তর্পণে খোঁজে চোরাগোপ্তা গলি
সোজা রাস্তায় হাঁটার অসুবিধা না থাকলেও

কারোর কারোর দু'দিক সামলানো গোঁজামিলে
পুলটিস দিতে দিতে চুল পেকে যায়
কোন্ নৌকায় যে বেশি সুখ অথবা ফুটো
না বুঝে দু'নৌকায় দেয় বেসামাল লোভী পা

যে জানে

যে জানে
  সে শুধুই খুঁজে ফেরে জানাকে
যে বিশ্বাস করে
  সে-ই আবিষ্কার করে নতুনকে

 

কখনো যেমন


ছেলেটা হোয়াটস অ্যাপ থেকে চোখ তুলে স্টেশানে তাকালো। অফিস থেকে ফেরার সময় রোজ এই সময়টা তার ওর সাথে কথা হয় ঘন্টাখানেক। মানে শিয়ালদহ থেকে পৌঁছাতে যতটা সময় লাগে আর কি।
স্টেশানের অন্ধকারে আলোতে তার নিজেকে দাঁড়ানো মনে হয়। আর কিছুটা দূরে ওকে। ওকে মানে, যে এখন ন'বছর হল তার স্ত্রী। প্রেমিকা ছিল চার বছর।

Subscribe to