অতলে
অপরিচিত একটা মুখ
রোজ আমার জানলায় এসে দাঁড়ায়
কখনো কাঠবিড়ালি, কখনো কাক
কখনো ভোরের বাতাসের আলতো ছোঁয়া সাথে
বুকের মধ্যে কুলকুল শব্দ
বুকের মধ্যে কুলকুল শব্দ
অর্থ নেই, গতি আছে
জিজ্ঞাসা নেই,
সুর আছে, ছন্দ আছে
আর আছে স্মৃতির পাথরে পাথরে
শ্যাওলা জমা অভিমান
বুকের মধ্যে স্রোতের প্রশান্তি
শীতল জলে ভাসা কয়েক টুকরো সময়ের নুড়ি
এই তো জীবন। বেশ আছি।
টিপ
টিপের আঠাটা নষ্ট হয়ে গেলে খুব মন খারাপ লাগে। বারবার আয়নার সামনে দাঁড়ায়। কপালে আঙুল ছুঁইয়ে দেখে, না তো আঠাটা লেগে নেই তো! টিপটা হাতে নিয়ে, টিপের পিছন দিকে আঙুল ছুঁইয়ে দেখে, খসখস করছে, আঠাটা কোথায় গেল?! প্রত্যেকবারই এমন হয়, আঠাটা খুঁজেই পায় না।
ক্ষণিক
সাড়া দিয়েছি
অধিকার দিই নি
সময়ের স্রোতে ক্ষনিকের কাছে আসা
হাওয়াতে ভাসা তুলোর অঙ্গীকার
হয়তো ভুল ছিল সময়
সবুজ
কাজল মেঘভেজা অন্ধকারে কি হারালে
কাজল মেঘভেজা অন্ধকারে কি হারালে?
রুমাল?
রুমাল হারিয়ো না
রুমালের ভাঁজে অনেক হারানো গল্পের বাসা
দীঘির গভীর কালো জল ছুঁয়ে দিলেই
মনের মধ্যে এক হাঁটুজল কান্না
ভাঁড়
বেশ রাতে স্টেশানে নামে। বাড়ি ফেরার পথে নেয় একভাঁড় চা রোজ। শক্ত করে আঁকড়ে থাকে গরম চায়ের ভাঁড়। জীবনে বেঁচে তার এই একটাই উষ্ণতা অবশেষে।