Skip to main content

অপেক্ষা

কুঁড়ি অপেক্ষায় থাকে
     সকালের আলোয়
           ফুটবে বলে ...

নীলাচলে তিনদিন

শেষ মুহুর্তটায় তো মনে হচ্ছিল আর বুঝি যাওয়াটাই হল না। টাকা কই? সব তো পাঁচশো আর হাজারের নোট। তবু শেষরক্ষা হল। যাওয়ার আগের দিন ব্যাঙ্কে দৌড়াদৌড়ি করে টাকা কিছুটা যোগাড় করা গেল। ...

আজীবন

নিজের থেকে পালাবে বলে ঈশ্বরকে খুঁজলে আজীবন

ঈশ্বরের মুখোশের আড়ালে কে যেন ভয় দেখিয়ে গেল তোমায় আজীবন

কলঙ্কে তোমার ভয়
তাই কলঙ্ক সৃষ্টি করলে মনের আনাচেকানাচে
  ওদের ধুয়ে ধুয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখলে আজীবন

FEAR

Its a constant Carefreeness ;
as long as, it is Upright,

ভুলে যাও

 প্রতিবার তোমার হাত ছুঁতে গেলে ভয় হয়
    মনে হয়, বুঝি ধরা পড়ে যাব!

সব দুর্বলতাগুলো
   স্পর্শে অনুদিত হবে

তুমি ছুঁয়ো না আমায়
  দূরে থাকো
  অজস্র সহস্র মুহুর্ত দূরে থাকো

ভয়

ততদিনের নিশ্চিন্ততা
যতদিন একেও নকল না করে
    বাজারে আনে কালো ছাপ

 ফাঁকি যদি ধরতে না পারি
নতুন বন্দুকের যতই বড়াই করি
    ওদিকে বাঘেও শিখছে নতুন লাফ

তাই মনে বাসি ভয়
কোন ক্ষমতা রাতারাতি
    আবার রাজ ইঙ্গিতে লোপ হয়

সরিষার মধ্যে ভুত

 দুষ্ট মাছ ধরা পড়িবে, জাল বিছানো হইল। জালে ধরা পড়িতে লাগিল, খাবি খাইতে লাগিল শুধু চুনোপুটি। রাজা বলিলেন, বড় মাছ কই?
    পাত্র-মিত্র-সভাসদ আদি সবাই কহিল, তাই তো, বড়মাছ কই?
   মন্ত্রী কহিল, আসিবে।
     পাত্র-মিত্র-সভাসদ সক্কলে কহিল সমস্বরে -
  আসিবে, আসিবে, আসিবে

ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়

রাজা মশায়ের কাছে খবর আছে, কারা যেন বেশি বেশি খায়। রাজা মশায় পাত্র-মিত্র-সভাসদ আদি সক্কলরে ডাকেন আর প্রশ্ন করেন - তোমরা জানো কে কে বেশি খায়? পাত্র-মিত্র-সভাসদ আদি কেউ বলল, হ্যাঁ, কেউ বলল, না। রাজা বললেন, তা তোমরা তাদের আটকাতে পারো না?

সব্বাই সাথে সাথে রে রে করে চীৎকার করে উঠে বলল, পারি না...পারি না...পারি না...

উচ্চতা

 লোকটার থাকার ঘর চোদ্দতলায়
    লিফটে করে ওঠে

জানলা দিয়ে নীচে তাকায়
 ফুটপাথের সংসারকে দেখে আত্মশ্লাঘায়

  ফুটপাথে প্লাস্টিক মোড়া ছাদের নীচে একার সংসার
     সে প্লাস্টিকের ফুটো দিয়ে দেখে শরতের আকাশ

শোনো

দাঁড়াও বন্ধু
গোড়ায় একটা মস্ত ভুল হয়েছে
কি খুঁজছ তুমি? প্রেম?
ভুল করছ
Subscribe to