Skip to main content

দায়বদ্ধ

আমি দায়বদ্ধ শুধু সেই সত্যের কাছে
       যে সত্য মানবিক

যে সত্য মানুষের হৃদয়ের গভীরতম তল স্পর্শ করে
   স্নাত হয়ে উঠে এসেছে
ভোরের আলোয় জাগা লালপেড়ে সাদা শাড়ি
          স্নিগ্ধ মায়ের মত

বড়দিন

কি করে জানলে
   হিংসাটাই সবচাইতে বড় সত্যি?

জগদ্দল

বুকের ওপর একটা জগদ্দল পাথর বসিয়েছিলাম

        অজান্তেই

পাথরটা কবে জানি বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করল

রাগ


রাগ হতেই পারে। সে রাগের ন্যায্য কারণ থাকুক চাই না থাকুক। যদিও সব রাগেরই ন্যায্য কারণ নাকি সব সময় থাকে। রাগ মানে কি অসন্তোষ? তা তো নয়। আবার 'তা তো হয়' বললেই বা আপত্তি কি? রাগ মানে কি ক্ষোভ? রাগ মানে কি হতাশা? রাগ মানে কি অভিমান? রাগ মানে তবে ক্রোধ? রাগ মানে তবে অভিযোগ?

হতাশ

জীবন ছিল। মোড়ক ছিল না।
সারপ্রাইজ তো নয়ই।

হতাশ হলে তুমি
    হতাশ করলে আমাকেও

পর্যবেক্ষণ


অনেকদিন আগের ঘটনা। স্কুলে পড়ি। দূরদর্শনে কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্ঠে রবীন্দ্রসংগীত হচ্ছে। মনোযোগ দিয়ে শুনছি। গান শেষ হল, আমার পাশে বসা একজন কাকু বললেন, বল তো উনি যে শাড়িটা পরেছিলেন তার দাম কত হবে? আর ওনার পায়ের কাছে যে কার্পেটটা রাখা ছিল তার দাম কত আন্দাজ কর তো?

narcissism

একটা প্রশ্ন পাচ্ছে।

ফেসবুক কি কোথাও narcissism এর গোড়ায় জল দিচ্ছে?

অর্থহীন

একটা সুর বেজে চলেছে দূরে কোথাও। কান পেতে শুনলে মনে হচ্ছে, দূরে কই, এই তো কাছে আমারই বুকের মধ্যে বেজে চলেছে সে। সুরটা যেন প্রথম কানে এলো, কিন্তু অচেনা নয়। নিজের ভিতর নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে শুনছি, বেজেই চলেছে, বেজেই চলেছে সে সুর। এখনই যেন বর্ষা নামবে, ভিজে চুপচুপ হবে আমার সমস্ত আমি। ভিজতে ভিজতে আমি শুনব, ভাবব - কে বাজালো এই সুর?

তোমার জন্য

তোমার জন্য
একলা মনের আঙিনা নিকিয়ে নেওয়া

তোমার জন্যে
নিজের মধ্যে জগত আলগা হওয়া

তোমার জন্য
মর্ম গভীরে শিশিরসিক্ত নাওয়া

তোমার জন্য
নীলিমার নীলে আ-চেতন ডুবে যাওয়া

(শ্রদ্ধেয় সমীরণদার তোলা ছবি)

কেউ জানে না

চৌমাথা পেরিয়ে ভাবলে, এবার বুঝি একটা হিল্লে হল। যে রাস্তাটায় চলেছো সেটা যাবে সিধা। হয় না। তোমার সোজা রাস্তাটা পাঁচমাথার মোড়ে এনে দাঁড় করায় তোমায়।

তুমি মনে মনে বলো, বিশ্বাসঘাতক।
  অভিমান হয় তোমার।

আবার একটা সোজা রাস্তা। তুমি হয়ত আবার নিশ্চিন্ত। সামনে এসে দাঁড়ালো দশমাথার মোড়।

তুমি দীর্ঘশ্বাস ফেললে।
   অভিমান কুঁড়ি হয়ে ফুল হতে হতে ঝরে গেল।

Subscribe to