Skip to main content

অনুসরণ

মেরুন রঙের শাড়ীটার পাড় রাস্তায় লুটাচ্ছিল
  বউটা দৌড়ে গেল আরেক বাড়ির কাজে
      ভীষণ তাড়া। শীতের বিকাল। সন্ধ্যা নামে তাড়াতাড়ি।
...

আমার বইমেলা

আমার কবিতা ছেপেছো?
  দোহাই লাগে, 
    ওই পাতাটা মুড়েই রাখো তবে
...

আবাদ

কারা যেন অনেক অনেক কবিতা লিখেছিল
   কারা যেন সেগুলো পড়েওছিলকারা যেন অনেক অনেক কবিতা লিখেছিল    কারা যেন সেগুলো পড়েওছিল...

দাবা

ইনি সুবিবেচক হিসাবে পরিচিত ছিলেনই। ইদানীং একটি ঘটনায় ইনি যে কত উচ্চ উদার হৃদয়বান পুরুষ তার প্রমাণ পাওয়া গেল। সংসারে এরূপ উদাহরণ সত্যিই বিরল। 
        ইনি তাহার কাকার (Sagar Sil) ঘরে প্রবেশ করিয়া দেখিলেন একটি অজ্ঞাত বস্তু খাটে শোভা পাইতেছে। অজ্ঞানতা উন্নতির অন্তরায়, ইনি বিশ্বাস করেন। সেই হেতু জিজ্ঞাসা করিলেন কাকাকে, ইহা কি বস্তু? কাকা উত্তর করলেন, এটি দাবা।
...

৩০শে জানুয়ারি

(যিনি কাউকে উদ্বিগ্ন করেন না, বা কারোর দ্বারা উত্তেজিত হন না, তিনিই আমার প্রিয় ভক্ত - গীতা)
আমার জন্মসূত্রে প্রাপ্ত ভারতবর্ষ
আমার বোধ-মন্থনজাত ভারতবর্ষ
আমার তিনটে বুলেটে স্তব্ধ ভারতবর্ষ

সমাজ

মানুষ যা যা কিছুকে অত্যন্ত করে চায়, তার প্রধানতম হল সমাজ। সে নিজেকে দেখতে চায় সমাজের আয়নাতেই। সমাজ তার অস্তিত্ব। তার পায়ের তলার মাটি। ব্যক্তি আর সমাজের মধ্যে যে দ্বন্দ্বটা আমরা দেখি, সেটার মূলে আসলে গঠিত, জীবিত সমাজ বনাম আমার কল্পিত, ধী-দৃষ্ট সমাজ। ব্যক্তি বলে যা আমরা বুঝি, তা একটা মৌলিক অস্তিত্ব তো কিছুতেই নয়। না হলে অভিব্যক্তি কথাটা অর্থহীন হত। দীর্ঘকালের ধারাবাহিক এক প্রক্রিয়ার ক্ষণিক বুদবুদ এই ব্যক্তিসত্তা। এমনকি জীবনবিজ্ঞানের কথা অনুযায়ী গর্ভস্থ একটা ভ্রূণকেও তার প্রাচীন গতিপথের ধাপগুলিকে একবার করে স্মরণ করতে করতে আসতে হয় – ব্যক্তিজনি জাতিজনিকে স্মরণ করে – বিজ্ঞানী হেকেল মহাশয়ের অসামান্য পর্যবেক্ষণ।
...

ক্যানভাস

প্রেমের কবিতা স্মার্ট হয় না
আবার বোকা বোকা কথাই বা লিখি কি করে? 
দেখো বাপু, ভালোই তো বেসেছি শুধু
  তা বলে, "যেমন খুশী সাজো" প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিতে বোলো না

ভয়

ভয়, খোলা শামুকের মত হাঁটবে
  ভিজে জবজবে হবে সারা গা - 
       এত জায়গা দিই না আর
  ভয়ের মাথায় হাত রাখি
      শামুকের মত গুটিয়ে যায়
          গা থেকে গড়িয়ে পড়ে হড়হড় করে

ভক্ত

তো হল কি তিনি খুব ভক্ত মানুষ। অনেকটা পথ হাঁটছেন। শরীর আর দিচ্ছে না। বেজায় ক্লান্ত। রামকে কাতর হয়ে মনে মনে প্রার্থনা জানাচ্ছেন, হে রাম, হে প্রভু, আমায় একটা ঘোড়া পাইয়ে দাও, আর তো হাঁটতে পারছি না। 
        খানিক পর দেখা যায় রাস্তার উপর সত্যিই একটা ঘোড়া। ভক্ত উৎফুল্ল হয়ে "জয় প্রভু, জয় রামজীকী" বলে চড়ে বসে। ও বাব্বা! খানিকটা পথ যেতে না যেতেই ঘোড়াটার পা গেল মচকে। ঘোড়া আর চলতে পারে না। ওদিকে দয়ালু, শ্রান্ত ভক্তও অমন অসুস্থ ঘোড়াকে মাঝপথে একলা ফেলে আসতে পারে না।

বৃষ্টি

বৃষ্টি থাকে বাসুদেবপুরের জঙ্গলের মধ্যে। তার এক ভাই গৌর, আরেক ভাই নিতাই। বৃষ্টি ক্লাস ফাইভে পড়ে। মিড ডে মিলে সয়াবিন, ডিম, ডাল, ভাত পায়। বৃষ্টি টুইংকেল টুইংকেল বলতে পারে। বাংলা কবিতাও মুখস্থ বলতে পারে। সে হাতির পায়ে থেঁতলানো মানুষের মাথা দেখেছে। ভয় পায়নি নাকি। গৌর অমনি বলল, তুই ডর পাসনি? বৃষ্টি হেসে বলল, লা!
Subscribe to