Skip to main content

শালুক

ঈশ্বর বড় একা। সারাটা আকাশ গেরুয়া রঙ করে বসেছিলেন সূর্যাস্তের পর গঙ্গায় পা ডুবিয়ে। বাতাস পঞ্চপ্রদীপের শিখার মত ঈশ্বরকে ঘুরে ঘুরে আরতি করছিল। ঈশ্বর গম্ভীর। গঙ্গার জলের কুলকুল শব্দে ঘন্টার আওয়াজ। ঈশ্বর অন্যমনস্ক। 

প্রার্থনা


টব আছে
মাটি আছে
চারাগাছও আছে

মনে সাধ
  চারাগাছটা হোক মহীরুহ
মনে শঙ্কা
  সে মহীরুহ চিড় ধরাবে টবের
  আমার বাগান ছেড়ে হবে বনের

চারাগাছ, তুমি আমারই থেকো
মহীরুহ, আমিই তোমারই হলাম

রাত


রাত দশটা আঙুল দিয়ে বুকে আঁচড় কাটে
চিড়বিড় করে ওঠে পাঁজরগুলো

একটা আধমরা মথের মত কিছু
প্রবল আক্রোশে ডান ঝাপটায় 
   ফড়ফড় ফড়ফড় করে

গলায় জল ঢালি
  ভাবি যদি বুক অবধি নামে,
জল নামতে নামতে শুকিয়ে যায়

বিষে অমৃতের বিন্দু

        সংসারে আশ্রিত মানুষের হাতে সংসারের ভার দিলে যে কি অনর্থ হয় তা বুঝতে বিপুলের কয়েক বছর লেগে গেল। বিপুল যেদিন প্রথম চাকরিতে জয়েন করতে গেল সেদিন সারারাত ট্রেনে যেতে যেতে একটাই কথা তার মাথায় ঘুরতে লাগল, তার মায়ের মৃত্যু আর তার দূর সম্পর্কের পিসিমার কথা। সারাটা ট্রে

আকাঙ্ক্ষা

আমার আনত আকাঙ্ক্ষা
তোমার স্পর্শ-মাধুরীর মাধুকরী চেয়ে ফেরে

সে ভূমি লুণ্ঠিত স্নেহ
শুকতারার বন্দনাগানে শিশিরমথিত যে রে

(Samiranদার অনুপম দৃষ্টিকোণ, প্রণাম জানবেন দাদা।)

তুমি আমার বিদ্বিষ্ট নও


তুমি আমার বিদ্বিষ্ট নও
তুমি বজ্র বিদারিত
    ক্লিষ্ট শূন্য গহ্বর।
আমার অভীষ্টের পথ বিদ্বিষরহিত, 
অস্তমিত সূর্য 
     তোমার রুদ্ধ চেতনার ভাষান্তর

তুমি কি জানো?

আমার অবকাশযাপন নিঃসংজ্ঞ
তুমি কি জানো?

দ্বিধান্বিত ভাবনার নিঃসরণ
একলা আকাশে 
      নিঃশব্দ পদচারণ

তুমি কোথায়?
 

শব্দ

শব্দ মারা যায়
কখন মারা গেল
     কেউ টের পায় না
শূন্য শামুকের খোলকের মত পড়ে থাকে
          একা - অবদ্য

গ্রহণ

        হাতের কাছে একটা পিস্তল থাকলে হয়ত ভালো হত। মোহান্ত স্নান সেরে মেঝেতে কৃষ্ণের বিগ্রহের সামনে চোখ বন্ধ করে বসে। গঙ্গার হাওয়া জানলা দিয়ে ঘরে একটা বাচ্চা ছেলের মত এলোমেলো ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মোহান্তের পিঠের উপর এলিয়ে পড়া সাদা চুলের গুচ্ছ দুলিয়ে দুলিয়ে যাচ্ছে। সারা

Subscribe to
↑