Skip to main content

মেজো ছেলে

        পনেরো হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের সেটটা ভালোই লাগল। বললাম এটাই দিন। 
        প্রচণ্ড গরম। দরদর করে ঘাম হচ্ছে। দোকান ভিড়ে ঠাসা। রবিবারের ভিড়। সকাল সাড়ে বারোটা হবে। দোকানে পাঁচজন হিমসিম খাচ্ছে খদ্দের সামলাতে।

চপ

        বললে তো হবে না, অনেকেই বারণ করেছিল বিশুদাকে বাড়িটা কিনবেন না, কিনবেন না। ভালো না বাড়িটা। এখন পস্তাচ্ছেন। 

কুহক


        সন্ন্যাসী নদীর তীরে। একটাই গেরুয়া। স্নানের পর নগ্ন শরীরে বসে। পাশে মেলা গেরুয়াবাস। সন্ন্যাসীর চোখে বিতৃষ্ণার দৃষ্টি। সংসার - মিথ্যা কুহকাবৃত ছলনার স্রোত, মূঢ় মানুষ। শুদ্ধতার সাধন নেই।

আবার ধুপধাপ আওয়াজ

        আবার ধুপধাপ আওয়াজ। এবার রান্নাঘরের উপরের তলা থেকে। যতই হোক, রাত্তিরবেলা সেই আওয়াজটাও বিরক্তিকর। কিন্তু যতবারই উপরের তলায় দরজায় ধাক্কা দেন, কেউ দরজা খোলে না। দিনের বেলায় তালা দেওয়া থাকে। কি ঝক্কি!

অন্তরীপ

আমি এখন বার্ন ওয়ার্ডে বসে আছি। সকাল থেকে বসে আছি। বাচ্চাটা বাজিতে পুড়ে গেছে। সারা গা দগদগে পোড়া দাগ। শুকাচ্ছে। টান লাগছে। বাচ্চাটা এবার মারা যাবে। হয়ত আজকে রাতেই, কিম্বা কাল।
...

যাবো?

        বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল কি? না বোধহয়। তবু কালো হয়ে গেল ভরদুপুরে চারদিক। ঝমঝম করে বৃষ্টি নামল। তুমি কি ঘুমালে? ঘুমের মধ্যে বৃষ্টির আওয়াজ যাচ্ছে কানে তোমার? এরকম একটা দুপুর ঘুমিয়ে কাটাবে? অবশ্য একদিক থেকে ভালো। মেঘ দিনের আলো কেড়ে নিলে, স্মৃতির আলো ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর স্মৃতি মানেই তো অকাজের কথা, বলো?

ফুল চুরি

        মাটির তলায় ঘর বেঁধে কিছু মানুষের সারা জীবন কেটে যায়। বাইরের আলো-বাতাস কিছুই সে ঘরে ঢোকে না। ওনার নাম কি? ধরে নিই লতা। দেখতে ভাল নয়। তাই কুলতা?

শালুক

ঈশ্বর বড় একা। সারাটা আকাশ গেরুয়া রঙ করে বসেছিলেন সূর্যাস্তের পর গঙ্গায় পা ডুবিয়ে। বাতাস পঞ্চপ্রদীপের শিখার মত ঈশ্বরকে ঘুরে ঘুরে আরতি করছিল। ঈশ্বর গম্ভীর। গঙ্গার জলের কুলকুল শব্দে ঘন্টার আওয়াজ। ঈশ্বর অন্যমনস্ক। 

বিষে অমৃতের বিন্দু

        সংসারে আশ্রিত মানুষের হাতে সংসারের ভার দিলে যে কি অনর্থ হয় তা বুঝতে বিপুলের কয়েক বছর লেগে গেল। বিপুল যেদিন প্রথম চাকরিতে জয়েন করতে গেল সেদিন সারারাত ট্রেনে যেতে যেতে একটাই কথা তার মাথায় ঘুরতে লাগল, তার মায়ের মৃত্যু আর তার দূর সম্পর্কের পিসিমার কথা। সারাটা ট্রে

গ্রহণ

        হাতের কাছে একটা পিস্তল থাকলে হয়ত ভালো হত। মোহান্ত স্নান সেরে মেঝেতে কৃষ্ণের বিগ্রহের সামনে চোখ বন্ধ করে বসে। গঙ্গার হাওয়া জানলা দিয়ে ঘরে একটা বাচ্চা ছেলের মত এলোমেলো ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মোহান্তের পিঠের উপর এলিয়ে পড়া সাদা চুলের গুচ্ছ দুলিয়ে দুলিয়ে যাচ্ছে। সারা

Subscribe to অনুগল্প