স্বামীজি
তুমি যুক্ত করতে চেয়েছিলে
নিজের বৈশিষ্ট্য না হারিয়ে মেলাতে চেয়েছিলে
সব ধর্মকে বললে
মিলিত হও মানবধর্মে।
প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যকে বললে
মিলিত হও ধর্মে ও বিজ্ঞানে।
ধর্ম ও যুক্তিকে বললে
মিলিত হও হৃদয়ে ও মস্তিষ্কে।
ব্যষ্টি ও সমষ্টি জীবনকে বললে
মিলিত হও সত্যে ও সেবায়।
পুরাতন ও নূতনকে বললে
মিলিত হও উদারতা ও শ্রদ্ধায়।
হে প্রভু
আমি তোমায় দেখতে পাই না
তোমার ভিতর দিয়ে জগৎটাকে দেখি
আমি তোমায় শুনতে পাই না
তোমার শোনা দিয়ে ভুবন বার্তা শুনি
আমি তোমায় বুঝি না
তোমার আলোতে আমার বোঝা বুঝি
আমি তোমায় খুঁজি না
তোমার ভিতরে আমার আমিকেই খুঁজি
আমাতে তোমাতে অনন্তকাল আছি
পরমানন্দে আত্মময় নিতান্ত কাছাকাছি
বাসন্তীদেবী
কেন রে এই দুয়ারটুকু
মনে হয় মৃত্যু সবচেয়ে বেশী সার্বজনীন। সকাল বেলায় নিজের কাজে ধরাবাঁধা ছকে ব্যস্ত, এমন সময় একজন খবর দিল পাশের পাড়ার একজন মিস্ত্রী মই থেকে পড়ে মারা গেছেন। কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তিও ছিলেন নাকি। তার একটু পরেই খবর পেলাম কলকাতার খুব নামকরা একজন চিকিৎসকের বাচ্চা ছেলেটা ICU তে জীবন মরণের স্পর্শরেখায় লড়ছে।
সেই বিকালটা
প্রার্থনা
কল্পনাগুলো শুদ্ধ হোক
যেন সে সাদা ডানায় নীলাকাশে ওড়ে
ইচ্ছাগুলো নির্মল হোক
যেন স্বচ্ছ ধারায় ঝরণার মত ঝরে
চিন্তাগুলো মার্জিত হোক
যেন সে হৃদয়গুহায় প্রদীপ জ্বেলে রাখে
ভালাবাসাগুলো এক হোক
যেন সে না বেঁধে ভালবাসতে শেখে
ভিতরে এসেছি
বেঁধে রাখব তো বলিনি
বাঁধা পড়েছি
তোমায় চাইতে এসেছিলাম
নিজেকে নৈবেদ্য করে বেঁচেছি
তুমি পাশের পাড়ায় থাকো
নাকি সুদূর হিমালয়ে
একে তাকে প্রশ্ন করেছি
আমার দরজার কাছে
তোমার চরণচিহ্ন দেখে
এক দৌড়ে ভিতরে এসেছি
সরে বাঁচা
একটু সরে সরে বাঁচার অভ্যাস এখন
বেশি গায়ে গায়ে থাকলে উত্তাপ বাড়ে
বাঁকা চোরা গলিতেই পেয়েছি সোজা পথ
তর্ক যুক্তির বেড়াজাল টপকে মাঠে এখন।
কানে আঙুল দিয়ে ফাঁকা পেট বাচ্চাটার কান্না ভুলি না,
ফাঁকা পেটে আমারও বমি পায়।
দুটো হাত প্যান্টের পকেটে ভরে
নিজের কথা ভাবতে ভাবতে যারা অন্যের কথা শোনে
ওদের দুয়ো দিয়ে, ওদের পিছনের রাস্তায় নেমে গেছি,
নতুন
রোজই ভাবি, আর না
প্রেম করব অন্য কারোর সাথে
হয় কই?
রোজ সকালে তোমাকেই
নতুন রকম লাগে
তাই হোক
আমি না ভালবাসলে যদি ভাল থাকো
তো থাকো
তবে এমন না হয় দেখো
নিজেকে ভালোবাসার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলেছ
আমি না চাইলে, যদি সুখে থাকো
তো থাকো
তবে এমন না হয় দেখো
নিজেকেই আর চাইতে ইচ্ছে করছে না
আমি না হয় দূরেই থাকলাম
তবে নিজের থেকে দূরত্ব না হয় দেখো