Skip to main content

আজ বলব তোমায়

আজ বলব, তোমায় আমি ভালবাসি
আজ বোঝাব, তোমায় কতটা ভালবাসি

কিন্তু কিভাবে?

সকাল থেকে কাগজ পেন নিয়ে
লিখব আজ জীবনের শ্রেষ্ঠ কবিতাটা
কোহিনুরের মত রাখব তোমার পায়ে
বলব তোমায়, বোঝবো তোমায়
আমি তোমায় কতটা চাই
কতটা ভালোবাসি

কিন্তু একি, বেলা গড়িয়ে দুপুর হল
সাদা কাগজ সাদাই পড়ে আছে!
একটা আঁচড়ও নেই!
শব্দগুলো হারালো কার কাছে?

টপ-আপ


-হ্যালো, সায়ন্তনী?
-বলছি
-আমি কুশল
-হুঁ
-আমার খুব জ্বর
-এটা বলতেই কি ৬ মাস তেরোদিন বাদে ফোন করলি?
-তোর এতটা মনে আছে!
-ন্যাকামো না করে, কেন ফোন করেছিস বল
-আমার খুব জ্বর
-শুনলাম তো। আমি ডাক্তার নই, নার্স নই, না তো আমার বাবার ওষুধের দোকান আছে।

বোঝা-বুঝি

তুমি কথা বলতে বলতে পাশ থেকে উঠে গেলে
আমায় বোঝাতে কি সব
আঁকিবুকি কথা
বোঝালেও
মানে বোঝানোর চেষ্টা করলে
শেষে বললে, বুঝেছ?
আমি মাথা নেড়ে বললাম, হ্যাঁ

কি বোঝালে বুঝিনি
বুঝলাম এটুকুই-
তুমি পাশ থেকে উঠে গেছো

আটপৌরে

তোমায় নিয়ে একটা কবিতা লিখব?

সামনে দাঁড়াও তবে

কেমন লাগল?

ভাল

আমার চোখের থেকে চোখ সরাও এবার
আমি পাতা উল্টাবো

হিসাব করব
মাসকাবারি বাজারের

তুমি?

রাত দুটো

পরদাটা একটু নড়ল
তুমি এলে?

রাত আড়াইটে

ঘরে তোমার গায়ের গন্ধ
তুমি এসেছ?

রাত তিনটে

আমার বুকের মধ্যে ছুঁচ ফুটছে
তুমি দেখতে পাচ্ছ আমায়?
আমি পাচ্ছি না তো!

ভোর চারটে

আমার গলার কাচ্ছে কান্না
চোখদুটোতে জ্বালা
তুমি চলে যাচ্ছ?
আবার!

আসবে আবার?

আমার দু'চোখ জোড়া ঘুম

সর্দিলীলা


(কীর্তনাঙ্গের প্রচলিত সুরে গেয়)
------------------------------

মরিব মরিব সখী নিশ্চয় মরিব
আমার এত সাধের অ্যান্ড্রয়েডখানা
                           কারে দিয়ে যাব

ভরসা

সন্ন্যাসী একটা বড় তালা মঠের দরজায় আটকালেন
দু'বার টেনে দেখলেন, আশ্বস্ত হলেন

তিনি ভগবানে বিশ্বাস করেন
মানুষের দেবত্বে বিশ্বাস করেন

তালাতে ভরসা রাখেন

ফাঁকি

ভেবেছিলাম ফাঁকি দিয়ে নেব
পেয়েছিলামও হাতে


কে নিয়ে গেল ফাঁকি দিয়ে?
আমি আবার শূন্যহাতে

শিকড়


গায়ে কেউ কটা ফুল ছড়ালো
গলায় কেউ মালা পরিয়ে গেল
                        অতর্কিতে
ভাল লাগছিল
তারপর ফুলগুলো কুটকুট করতে লাগল সারা গায়ে
মালাটা ভারী হতে হতে 
আমার মাথাটাকে নীচে নামিয়ে আনছিল
আমারই পায়ের কাছে

অরূপ


রূপ নেই, অস্তিত্ব আছে
বাঁধন নেই, প্রেম আছে
তাপ নেই, জ্যোতি আছে
দাবী নেই, প্রকাশ আছে

Subscribe to