যদি পূজা করি মিছা দেবতার
ঘুম ভাঙতে দেখলাম বাইরে রোদ
ঘুম ভাঙতে দেখলাম বাইরে রোদ। পর্দাটা টানলাম। ঘরটা অন্ধকার হল। এবার ঘুমাবো আবার। আমার তৈরী করা রাত্রিতে।
ঘুমোতে ঘুমোতেও মনের মধ্যে বিঁধে থাকল একটা কথা, কাঁটার মত - বাইরে আলো ফুটেছে।
আলগোছে কিছু সময় এসে পড়েছিল
আলগোছে কিছু সময় এসে পড়েছিল
হিসাবি আলমারির চাবি হেরে গেল
ধুলোর পরে ধুলো জমে থাকা আলপনাও
উড়িয়ে নিয়ে গেল দমকা হাওয়া
অথচ আমি ভেবেছিলাম,
আমি তৈরী ছিলাম
উপর তলার কথা
উপর তলার কথা
ভিতরের কথাকে রাখে আড়াল
চুপ করে থাকো খানিক
পাবে সে নীরব কথার নাগাল
তুমি আমার মোহ না
তুমি আমার মোহ না
তুমিই আমার মোহনা
জয় হোক
ভাষার জঙ্গলে বিভ্রান্ত বুদ্ধি
বসল চিরবহমান হৃদি-নদীর তীরে
শ্রান্ত মন শান্ত হল
ভিতরে কে গায়?
সমস্ত প্রাণ উজাড় করে নামল জলে
তখন সান্ধ্যসূর্য সদ্য নেমেছে ঝোঁপের আড়ালে
তিরতির করে কাঁপছে ঝাউপাতার ঝালর
পুরোনো বেণারসীর গায়ে
পুরোনো বেণারসীর গায়ে এখন শুধু ন্যাপথলিনের গন্ধ
চেনা কথাগুলোর শূন্য নীড়ে
মড়া কাঠখড় ছড়ানো
সিঁড়ির দরজাও বহুকাল আছে বন্ধ
মৃত শরীরই কঠিন শুধু না
মৃত শরীরই কঠিন শুধু না, মৃত মনও কঠিন হয়
জীবন জলের মত নমনীয়,
যার স্রোতে পাথরও দ্বিখন্ডিত হয়
তুমি সুন্দর
তুমি সুন্দর
তোমার দিকে তাকালে আমি সুন্দর
তাই ঝাঁপাই না
তাকিয়ে থাকি
তাকিয়েই থাকি
হঠাৎ হারিয়ে যেতে
হঠাৎ হারিয়ে যেতে অনেকেই তো চায়
ফেরার চাবিটা কেউ কেউ-ই ফেলে রেখে যায়