পরকীয়া ঘোল
ওরে কে যেন হইল ভ্রষ্ট?
চারদিকে উঠিল শোরগোল
দিকে দিকে ফিরিল নীতিবাগীশ
মুখেতে শাস্ত্রের বুলি, হট্টগোল
শ্লেষ, তির্যক দিঠি, ক্লেদের বন্যা
মাখো মাখো সবে,
আজিকে পাঁকের দোল
হেঁসেলের সহমর্মিতা
ঈশ্বরের গল্প সব শেষ হলে
ঈশ্বরের গল্প সব শেষ হলে
মানুষ ফিরে আসে
কয়েক পশলা বৃষ্টিতেই
মেঘের গল্প ভাসে
আমি তো...
আমি ঘুমন্ত অবস্থায় চলতে পারি না
আমি ঘুমন্ত অবস্থায় কথা বলতে পারি না
আমি ঘুমন্ত অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিতে পারি না
অবাক হয়ে দেখছি তোমরা কি অনায়াসে পারো
শুদ্ধতার মোহ
গালিবও সাক্ষী
যুদ্ধ আর প্রেম
আমন্ত্রণের সৌজন্যের অপেক্ষা রাখে না
শতাব্দী সাক্ষী
পার্থক্য শুধু -
ধ্বংস করার
আর ধ্বংস হওয়ার সুখে
যে গোলাপটা ফুটেছিল
আমার অস্তিত্বের কি কোনো সংজ্ঞা হয় ?
...
বুদ্ধিকে রেখেছিলাম পাহারায়
বুদ্ধিকে রেখেছিলাম পাহারায়,
সে-ই হল চোর
অসর্তকতায়,
নিজের ঘরে
স্নেহ
স্নেহ, একটা বেড়া ঘেরা ভালোবাসা। করুণা, চাষের জমিতে খালকাটা ভালোবাসা। এর একটাও যদি না থাকে, তবে একা না থাকাই ভালো। অন্যের বেড়ার মধ্যে অথবা অন্যের খালের কাছাকাছি থাকাই নিরাপদ। নইলে শরীর ভীষণ আঁশটে ভাষায় কথা বলে। তাতে যত না নিজের বিপদ, সমাজের বিপদ আরো বেশি।