Skip to main content

হাজার ঘষলেও যায় না

কিছু কথা তবু যেন বলা হয়নি
কিছু কথা বলা কখনো হয় না
মনের তলানিতে আটকে
কড়া পড়া কড়াইয়ের মত
      হাজার ঘষলেও যায় না

চিন্তামণি

আমি তাঁকে যেদিন মুক্তি দিলাম
  আমার বাসনা পূরণের পদকর্তা থেকে

সেদিন তিনিও আমায় মুক্তি দিলেন
  লোভে ঢাকা মুক্তির আকাশকে মুক্ত করে

সেদিন থেকে তাঁর সরোবর থেকে শীতল বাতাস আসে আমার বাগানে
আমার বাগান থেকে ফুল উড়ে বুকে ভাসে সে সরোবরের জলে

আমরা দু'জনেই মুক্ত দু'জনের দিকে তাকিয়ে
ওই সরোবরের তলদেশে আছে
আমার মননের মণি - চিন্তামণি

একমুঠো সুখ জন্মালো বুকে

একমুঠো সুখ জন্মালো বুকে
  সন্ধ্যের নীরব প্রার্থনা
  তখন দিগন্তে লিখছে অনন্তের বাণী
তোমার চোখে দেখলাম সে বাণীর অক্ষরমালা
 তুমি আমার, চিরকালের আমার
   আমার সিক্ত চোখে দেখো
             সাক্ষী অন্তর্যামী


(ছবিঃ জয়দীপ ঘোষ)

আমি ত্যাগ করিনি কোনোদিন

আমি ত্যাগ করিনি কোনোদিন
      ত্যাগ মহতেরা করেন
  আমি বেছে নিয়েছি আজীবন
মন্দের মধ্যে ভালো
   অন্ধকারের মধ্যে আলো
 অসতের মধ্যে সৎ
    আমার মধ্যে তোমায়
       তোমার মধ্যে আমায়

 

পাকচক্র

তুমি মোহঘূর্ণীর পাকচক্র নও। তুমি ভোগ্যও তো নও। নও তুমি ধুলোঝড়ের মত আচমকা আসা উত্তেজনা।

 তুমি আমার একমাত্র শান্তি-সরোবর


   আমার নগ্ন-আত্মার শেষ আশ্রয়স্থল
        আমার প্রেম -
            স্নিগ্ধ ভোরের শুকতারা

শ্বাসবায়ু

আমি তোমায় নিয়ে ভাবি না
   আমি তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখি না
  তোমায় নিয়ে আমার কোনো রঙীন কল্পনাও নেই

মিথ্যা


----
মন্দ্র সপ্তকে মিথ্যা বলা যায় না
        মিথ্যা বলতে তার সপ্তক লাগে
চোখের মণির দৃষ্টি ছুটে তীর বেরোলে
        সাজানো কথার ঢালের আড়াল লাগে

পূর্ণতা আর শূন্যতা

পূর্ণতা আর শূন্যতার মাঝামাঝি আমি
কখনো চেতনে, কখনো অচেতনে
সব রঙ মিলে সাদায়
   সাদা মিশে ধূসরতায়
তবু এ আমার অস্তিত্বের দিগন্ত
   সবটা সবুজ না হলেও
 এই আবর্তনের কেন্দ্রেই আমার আমি

 

আলো


----
আলো নেভালেও যে আলো থাকে
সে আলো চোখের বাইরে না
      সে ভিতর পথে ডাকে

২----
সাচ্চা হৃদয় খুঁজছি
       নিশ্চই সে আছে
না হলে রোজ সকালে এত আলো
      কারই বা খোঁজে আসে?

ভুল


====
ভেজা চোখ এড়াতে মুখ ফেরালাম
    ভাবলে উপেক্ষা
শুকনো চোখে তোমার দিকে ফিরলাম
    ভাবলে চালাকি

Subscribe to