Skip to main content

নিজেকে সাজিয়ে


নিজেকে সাজিয়ে
   পরিপাটি করে আনা যেত

আনিনি

ঘাসের শিকড়
   মাটি ছাড়া করে তুলিনি

বাস্তবিক


বাস্তবিক দেরি হয়ে যায়নি
বাস্তবিক অম্লান বদনে কুয়াশায় হাঁটি
বাস্তবিক শ্যাওলা জমা নোঙর অভ্যাস এখন
বাস্তবিক ঈর্ষা আচ্ছন্ন কাঁটাঝোপ চারদিকে
বাস্তবিক সুখে আছি 
    কবিতারা পরিযায়ী পাখি 
বাস্তবিক অবিনশ্বর আত্মা আমাদের

চেতনা

ক্ষণভঙ্গুর চেতনা অন্ধকারের তীরে
               একা
                          শ্রী-হত

তুমি যদি ছুঁয়ে থাকো

তুমি যদি ছুঁয়ে থাকো
    হাতের সবকটা রেখা 
     তোমার গন্তব্যের সাথে জুড়ে দিতে পারি

তুমি আমার বিদ্বিষ্ট নও


তুমি আমার বিদ্বিষ্ট নও
তুমি বজ্র বিদারিত
    ক্লিষ্ট শূন্য গহ্বর।
আমার অভীষ্টের পথ বিদ্বিষরহিত, 
অস্তমিত সূর্য 
     তোমার রুদ্ধ চেতনার ভাষান্তর

তুমি কি জানো?

আমার অবকাশযাপন নিঃসংজ্ঞ
তুমি কি জানো?

দ্বিধান্বিত ভাবনার নিঃসরণ
একলা আকাশে 
      নিঃশব্দ পদচারণ

তুমি কোথায়?
 

তাই তোমার ধর্ম জানি না


আমি শুধু তোমার চোখের মণির দিকে তাকাই
তাই তোমার ধর্ম জানি না
আমি শুধু অন্ধ হয়ে তোমার স্পর্শে মেখে থাকি
তাই তোমার ধর্ম জানি না
আমি শুধু তোমার সুবাস লাগা বাতাসে বেঁচে আছি
তাই তোমার ধর্ম জানি না
 

দুঃখ নিজেকে দু-টুকরো করে

দুঃখ নিজেকে দু-টুকরো করে
   এক টুকরো আমার হাতে দিয়ে বলল -
             চেখে দেখো!

আমি চাখতে চাখতে
   বাকি টুকরোটার দিকে তাকিয়ে
        ভুরু কুঁচকে, তিতো আসক্তিতে
 

ধুলো উড়িয়ে

ধুলো উড়িয়ে, মাটি কাঁপিয়ে তো গেলে 
তোমার ক্ষমতা আছে মানলাম

কিন্তু ধুলো না উড়িয়ে, মাটি না কাঁপিয়ে
          গন্তব্যে পৌঁছাতে পারতে কি?

জানা হল না
 

ঘাসেরা বড্ড কাঁদে

স্বপ্নের বুনট ছিঁড়ে পড়ল
শিশিরে পা মাড়িয়ে, পা ভিজিয়ে এলো - 
                সে 

বলল, 
  ঘাসেরা বড্ড কাঁদে

Subscribe to উপপত্র