Skip to main content

জানলার গারদ

জানলার গারদ
বিষন্ন দুটো চোখ

ভারি বর্ষণ

পুরু চশমার কাঁচ 
বর্ষা দেখেছে বহু

ভিতরে বাইরে

সময় স্মৃতিজাত

সময় স্মৃতিজাত
প্রেম বিস্মৃতিতে
মৃত মানুষ হাঁটে জীবিত মানুষের সাথে
স্মৃতি সরণীতে

যদি সোডিয়াম পটাশিয়াম হাত ধরে থাকে!

ভালোবেসেছিলাম


ভালোবেসেছিলাম
শুধু তোমাকেই আমি
বিনা অভিধান 
বুঝতে পেরেছিলাম

কবিতা তো চোখের না গো


কবিতা তো চোখের না গো
     কানের
কান তখন শ্রবণ যন্ত্র না
  চোখের দোসর, 
           প্রাণের

আসলে কোনো কিছুরই কোনো নিয়ম নেই

আসলে কোনো কিছুরই কোনো নিয়ম নেই
এটা বুঝতে যতটা ভালোবাসা থাকা দরকার
             তা কই?

তবু সব কিছুরই একটা সময় আছে
যে ভালোবাসায় সে নিরুদ্বিগ্ন অপেক্ষা 
            সে কই?

শাসিত


এত অবাধ্য বলেই
ঘাসের শিকড়ে জমে রক্ত
নত হও
শান্ত রাখো দেশ
স্বাধীনতা মানে অধীনতা প্রসাদ
লাগাম টানো, হয়ে ওঠো রাজভক্ত

ফিরে যাও

ফিরে যাও
পিছনে না তাকালেও হবে

হয়ত লজ্জা পাব
   কুণ্ঠিত হব

নিজেকে সাজিয়ে


নিজেকে সাজিয়ে
   পরিপাটি করে আনা যেত

আনিনি

ঘাসের শিকড়
   মাটি ছাড়া করে তুলিনি

বাস্তবিক


বাস্তবিক দেরি হয়ে যায়নি
বাস্তবিক অম্লান বদনে কুয়াশায় হাঁটি
বাস্তবিক শ্যাওলা জমা নোঙর অভ্যাস এখন
বাস্তবিক ঈর্ষা আচ্ছন্ন কাঁটাঝোপ চারদিকে
বাস্তবিক সুখে আছি 
    কবিতারা পরিযায়ী পাখি 
বাস্তবিক অবিনশ্বর আত্মা আমাদের
Subscribe to উপপত্র