আমি ফিরব
ঘড়ির কাঁটার আবর্ত বদ্ধ সময়
আকাশ চরা পরিযায়ী মেঘ
বকের ডানার নিঃশব্দ আন্দোলন
সময়, আলিঙ্গন খোলো
আমি ফিরব
যতবার তোমার সামনে এসে দাঁড়াতে চেয়েছি
যতবার তোমার সামনে এসে দাঁড়াতে চেয়েছি
তোমার মুখের দিকে তাকিয়েছি,
বলেছ, নিজেকে নিয়ে এসো
জিজ্ঞাসা করেছি, আমি কোথায়?
বলেছ, যেখানে তোমার সহজ আনন্দ, সেথায়
জানলার গারদ
জানলার গারদ
বিষন্ন দুটো চোখ
ভারি বর্ষণ
পুরু চশমার কাঁচ
বর্ষা দেখেছে বহু
ভিতরে বাইরে
সময় স্মৃতিজাত
সময় স্মৃতিজাত
প্রেম বিস্মৃতিতে
মৃত মানুষ হাঁটে জীবিত মানুষের সাথে
স্মৃতি সরণীতে
যদি সোডিয়াম পটাশিয়াম হাত ধরে থাকে!
ভালোবেসেছিলাম
ভালোবেসেছিলাম
শুধু তোমাকেই আমি
বিনা অভিধান
বুঝতে পেরেছিলাম
কবিতা তো চোখের না গো
কবিতা তো চোখের না গো
কানের
কান তখন শ্রবণ যন্ত্র না
চোখের দোসর,
প্রাণের
আসলে কোনো কিছুরই কোনো নিয়ম নেই
আসলে কোনো কিছুরই কোনো নিয়ম নেই
এটা বুঝতে যতটা ভালোবাসা থাকা দরকার
তা কই?
তবু সব কিছুরই একটা সময় আছে
যে ভালোবাসায় সে নিরুদ্বিগ্ন অপেক্ষা
সে কই?
তোমায় অনুভব করতে পারছি
শোনো,
তুমি জানলার ধার থেকে সরে দাঁড়াও,
প্লিজ
শাসিত
এত অবাধ্য বলেই
ঘাসের শিকড়ে জমে রক্ত
নত হও
শান্ত রাখো দেশ
স্বাধীনতা মানে অধীনতা প্রসাদ
লাগাম টানো, হয়ে ওঠো রাজভক্ত
ফিরে যাও
ফিরে যাও
পিছনে না তাকালেও হবে
হয়ত লজ্জা পাব
কুণ্ঠিত হব