আকাশ তুমি দাঁড়িয়ে থেকো
আকাশ তুমি দাঁড়িয়ে থেকো
বাতাস তুমি ফিরে যেও না
মাটি তুমি ধৈর্য ধরো
আগুন তুমি নিভে যেও না
জল তুমি মিলিয়ে যেও না
মানুষ আবার ফিরবে
এদিকেই ফিরবে
ভালোবাসা তুমি হলুদ হোয়ো না
এক বিন্দু জল
এক বিন্দু জল
না হয় হারালোই
হয় মিশল সাগরে
নয় মিলালো শূন্যে
না হয় তাই হলই
তুমি অন্য কথা বলো
যে কথা বলোনি কোনোদিন
আজ নতুন করে বলতে চেয়ো না
স্রোতে ভাসানো কাগজের নৌকা
কোন বাঁকে অদৃশ্য হয়েছে
মনে নেই আর
তুমি অন্য কথা বলো
প্রতিযোগিত মানিনে
"আমারও চাই"
"আমিও হব"
এই "ও" কারটিকে বড় ভয়
যাহা ঈর্ষার শানিত কণ্ঠ হয়
প্রতিযোগিত মানিনে
সৃষ্টিসুখেই আত্মমগ্ন
পাওনা-গণ্ডা বুঝিনে
ভক্ত তালা দিয়ে বাইরে গেল
ভক্ত তালা দিয়ে বাইরে গেল।
ফিরে এসে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিল
যে চুরি হয়নি।
ভক্তের ‘সততায়’ ঈশ্বর খুশি হলেন
কিনা জানি না, তালা রুষ্ট হল।
কারাগারটা দাড়ি না, কমা
কারাগারটা দাড়ি না, কমা
বোঝো না, বুদ্ধু কোথাকার
কিছু কুঁড়ি কারাগারেও ফোটে,
কিছু কবিতা গারদের ভিতরেও জন্মায়
ফুল মুচড়ালে গন্ধ ছড়ায় আরো বেশি
জানো না, বুদ্ধু কোথাকার!
ছড়ানো ছেটানো ভালোবাসার আবদার
ছড়ানো ছেটানো ভালোবাসার আবদার
কচু পাতায় বৃষ্টির জলের মত টলটল
বড় জীবন্ত, বড় স্বচ্ছ
তবু জীবিতের মত ভাবি
কেন কথায় কথায় এত মৃত ব্যক্তিদের প্রসঙ্গ
কেন বারবার কবর খোঁড়া, চিতার ভস্ম হাতড়ানো
আমি তুমি দু'জনেই তো বেঁচে আছি এখনও
এসো না কথা বলি, না হয় দ্বিমত হই
তবু জীবিতের মত ভাবি!
দোকানির সাজানো লাটাই
দোকানির সাজানো লাটাই, মাঞ্জা দেওয়া সুতো, ঘুড়ি - ছ'বছরের চোখটায় টাটাচ্ছিল।
মা বললে, এখন থাক
(নীরবতা বলল, এখন পারব না)
ছেলেটা বলল, কিন্তু আমাদের ছাদে যে খুব হাওয়া!
(চঞ্চলতা বলল, এ সব যে আমারই জন্য রাখা!)
জীবন সত্যের থেকে কিছুটা বেশি
জীবন সত্যের থেকে কিছুটা বেশি
তা বলে সে মিথ্যা নয়
শুধু সত্যের থেকে কিছুটা বেশি