Skip to main content

বুঝবে সমুদ্র

মিষ্টির দোকানের বেঞ্চটা নর্দমার উপর পাতা। নর্দমা নদী না। কিন্তু জলের স্রোত তো। আর এই বড় নর্দমার জলে এত স্রোত যে ময়লা জমে না। একটু দূরে নর্দমার উপরেই দুটো পেচ্ছাপ করার জায়গা বানিয়ে দিয়েছে মিউনিসিপালিটি থেকে। মেয়েদের ওসব করার জন্য আরো ভিতরে যেতে হবে, বাজারের মধ্যে। আর তাদের জন্য?

আমার আর হবে না দেরি

সবাই উপোস করেছে বাড়িতে। এমনকি তার ন'বছরের ছেলেটা অবধি। মা, বউ, মেয়েও। হরিশের খুব ইচ্ছা সেও একটা মোটর লাগানো বোট কেনে। সারাদিন বৈঠা টেনে টেনে হাতের পেশীগুলো লোহার মত হয়ে গেছে। একটা

ট্রেনে ওঠ বাবু

বাবা জল খাবে?

   না। সতীশ মাথাটা ঝুঁকিয়ে বসে। নাম বত্রিশে। এখন চলছে আঠারো। এক একজন পেশেন্ট সময় নিয়ে দেখেন ডাক্তারবাবু।

চায়ের ভাঁড়

লোকটা সকালে উঠে ভাঁড়ে চা খেত। বেশ আয়েশ করে, পুকুরধারে বসে, সুয্যি ওঠা দেখতে দেখতে, মুরগীর
ডাক শুনতে শুনতে, হাঁসেদের জলে নামা প্যাঁক প্যাঁক ডাক শুনতে শুনতে, গরুদের মাঠে চরা দেখতে
দেখতে চা খেত। ভাঁড়ে করে চা খেত।

আপনারা পাগল!!

রঞ্জিতা গ্লাসের আওয়াজ শুনে চোখ খুলে তাকালো। বিপ্র জল খাচ্ছে। হাতটা কাঁপছে। ঘরে জিরো পাওয়ারের নীল হালকা একটা আলো। বিপ্র শর্টস পরে আছে। খালি গা। শর্টসে একটা ভাল্লুকের মুখ। সাদা ভাল্লুক।

আমি আসি...

মাঠে বসা ছাড়া বিরুদ্ধ ভটচাযের আর উপায় ছিল না আসলে। বাড়ির চাবি ভুল করে শ্বশুরবাড়ি ফেলে এসেছেন। কাঁকিনাড়া থেকে বড় ছেলে চাবি নিয়ে আসছে। কিন্তু মদনপুর পৌঁছাতে সময় তো লাগবে। অগত্যা, ধানক্ষেতেই বসে পড়লেন।

চলো কবাডি খেলি

মিঠেরোদে গা এলিয়ে বসে থাকতে থাকতে টুক করে মারা গেল নরহরি।

 

অল দ্য বেস্ট পুকাই


পুকাই বাইরে উঠানে ক্যাম্পখাটে বসে বসে মাছরাঙাটাকে দেখছে। মাছরাঙাটা বেড়ার উপর বসে রোদ পোহাচ্ছে। এক একবার পুকাইয়ের মুখের দিকে তাকাচ্ছে।

খালি পা

শীতের সকালে রোদের আমেজ মেখে রসিক মিঞা বসে।
আজকাল বিক্রি-বাট্টা কম। জোয়ান বয়সের মত অত পারে না এখন। তাছাড়া এ ধানতলায় এখন
দোকানেরও অভাব নেই। বদর ১৯০ টাকা কেজি চিকেন দিলে, জগন্নাথ হয় তো দেখো দিচ্ছে ১৭০ টাকায়। ...
Subscribe to অনুগল্প