Skip to main content

ঝাপসা

উবু হয়ে, লুঙ্গিটাকে গুটিয়ে হাঁটুর কাছে এনে, বসে আছেন। বয়েস ষাটের আশেপাশে হবে। রাস্তার পাশে একটা পাঁচিলের ধারে বসে। খেটে খাওয়া শরীর ছিল এককালে দেখলেই অনুমান হয়। বিকেলবেলার পশ্চিম ঢলা রোদ ওনার ভাঁজ পড়া মুখে।
 

এই যে কালো মাটির বাসা


গাছটা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নিজের শিকড় খুঁজছে। তার চারদিকে অনেক গাছ। তাদের শিকড়-বাকড়ও মেলা। মাটির উপর তাদের গতিপথের রেখা। কিছু ঢেউ খেলানো, কিছু ঢিবির মত, কয়েকটা আবার তীরের মত সোজা।

হঠাৎ বৃষ্টি

অনেকদিন পর রোদ উঠেছে দেখে, বউটা কাচা কাপড় জামা মেলবে বলে ছাদে উঠল। ছাদে কাপড়গুলো মেলতে মেলতেই কোথা থেকে আকাশ জুড়ে এল ঘন কালো মেঘ করে।
       সে অবাক হল। তার হাসিও পেলো। ভাগ্য বদলায়নি একটুও! সেই রাতটা মনে পড়ল। যার সাথে পালাবে বলে এক কাপড়ে বেরিয়ে পড়েছিল, তার সেই প্রেম, স্বপ্ন- সে আসার আগেই, আগের ট্রেনে হয়েছিল দেশান্তর। 

আবছায়া

(কঠোরভাবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)

মুক্তি


(আজ গুরুপূর্ণিমা। সেই সব মানুষের চরণে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই, যাঁরা আলো জ্বালেননি, বরং নিজেই আলো হয়ে জ্বলে, মানুষকে পথ দেখিয়েছেন যুগ যুগ ধরে)

বিলাসী

 

---
কিছুটা হলেও টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়েই যাচ্ছিল বিলাসী। বয়স চল্লিশের আশেপাশে। বাড়ি মুকুন্দপুর। হরিনাভীতে স্বামীর ভিটে। মেয়েটাও তার সাথে কাজে বেরোতো। গীতা। উনিশে পড়েছিল এই মাঘের শেষে। বিলাসী চারটে বাড়ির ঠিকে ঝি-র কাজ করত। তার স্বামী মদন ভাগের চাষ করত। ছেলেটার বিয়ে দিয়েছে গত শ্রাবণে। নেতাই আর তার বৌ কামিনী। নেতাই চব্বিশে পড়েছে। আর কামিনীর বয়স ওই গীতার মতই হবে।

বিন্দু

(এটা গল্প, আবার গল্প না। ভারতের প্রাচীনতম দর্শনের যে দিক নির্দেশ, তাকেই আমার বোধের ভিতর দিয়ে প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি)

Subscribe to অনুগল্প