Skip to main content

তুমি

ওরা ডেকে নিয়ে গেল আমায়
বলল, এটা পাহাড়

যখন

ঘুমন্ত মানুষগুলোর পাশে জেগে থাকতে থাকতে মাঝে মাঝেই চোখ জুড়িয়ে আসে

নিজেকে ধাক্কা দিয়ে জাগিয়ে তুলে চারপাশে দেখি,
নাহ্, জাগেনি কেউ,
শুধু নড়াচড়া আর পাশ ফিরে শোয়া

শাণ


ভীষণ অস্পষ্ট চারিদিক
প্রশ্নেরা বিরুদ্ধ বিশ্বাস
বিশ্বাস বড় স্পর্শকাতর আজ
যখন তখন লুকানো নখে আঁচড়ে
         শান্তির বার্তা বুঝিয়ে দিতে চায়

পিচ

নতুন পিচ ঢালা রাস্তায় হাঁটতে নেই 
   রাস্তার দুপাশে লাল কাপড় দেওয়া থাকে,
দু'একজন তবু অবাধ্য হয়। অ-সভ্য হয়। 
      জানতাম। হাঁটে গোঁয়ারের মত।

বিচার

বিচার চলছে
আসামী বেবাক বোকা বেইমান হৃদয়

ফরিয়াদী আমি
ওর পক্ষের উকিল নেই কেউ
আমার পক্ষের উকিল তো মেলা
যুক্তির পর যুক্তি সাজিয়ে...
    সেকি ধুন্ধুমার কাণ্ড!

কৃতজ্ঞ

আমার প্রতিদিনের অন্নের ধান যে বুনে দেয়
    তার ধর্ম কি জানি না

আমার প্রতিদিন পরা পোশাক যে বুনে পাঠায়
    তার ধর্ম কি জানি না

বন্ধ দরজা

বন্ধ দরজাটা যখন খুলল অবশেষে
সবাই ভাবল এবার বুঝি উনি উঠবেন 
    কারণ সকাল থেকে উনি বসে 
           দরজাটা খোলার অপেক্ষায়

ভুল শব্দেরা

কয়েকটা না বলা শব্দ
   বহু আলোকবর্ষ দূরত্ব তৈরি করতে পারে
বহুবার ভুল শব্দেরা সাঁকো ঝাঁকিয়ে
    অথবা মাঝপথে লুঠ করে নিয়ে গেছে তা- 

হ্যাঁ রে মেয়ে

এত অভিমানী চোখ কেন গো?
মেঘ জমেছে, না লাভা ফুটছে বুকে? 
ছাদের উপর তিনটে শালিক
  না দরজার আগলে দশটা চড়াই? 
কি হারালো? বল না রে মেয়ে?
 কি হারালো, বেরিলি বাজারে ঝুমকা?

দুর্বল

অনেকদিন পর মাটিটায় হালকা সবুজ ঘাস এলো
  কদিন হেঁটো না তুমি মাঠের ওদিকটায় 
আবর্জনা ফেলতে এসেছো, এসো, ফেরাব না
    তুমি জানো আমি মহান নই, দুর্বল 

Subscribe to কবিতা