Skip to main content

নাম যায় যাক, শিক্ষাটুকু থাকুক

আজ রামকৃষ্ণদেবের জন্মতিথি। অবশ্যই এ বছরে এ তিথির গুরুত্ব অন্যরকম। রামকৃষ্ণদেব মানে সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা। কথা ক্রমে স্লোগান হল। স্লোগান ক্রমে ব্র্যাণ্ড ভ্যালু হল। ক্রমে অবতারে পর্যায়ক্রমে শ্রেষ্ঠ ঘোষিত হলেন - অবতার বরিষ্ঠায়। তারপরে সব কিছু প্রাতিষ্ঠানিক হয়ে গেল। মানুষ সোজা সাপটা দীক্ষা পেল, সিরিয়াল পেল, সিনেমা পেল। একটা ব্র্যাণ্ড তৈরি হয়ে গেল। একটা নির্দিষ্ট ছাঁচ তৈরি

শান্তি করো বরিষণ

শিরডি'র সাঁইবাবাকে নিয়ে লেখা 'সাঁই সৎচরিত্র' বইতে একটা ঘটনার বর্ণনা আছে। আমি গল্পটার অলৌকিক দিকটার দিকে মন না দিয়ে ঘটনাটার কথা বলি---

 

ওরে ভাই মিথ্যা ভেবো না

দুশ্চিন্তা কিসের এত? আমার ভাবনাই শেষ কথা? তা তো নয়। আমার ভাবনার পরে আরো কিছু আছে। সে ভাবনা না, সে ঘটনা। যা ঘটে চলেছে। সেকি আমার ভাবনার অপেক্ষা করে?

সনাতন ধর্মের ভক্ত বনাম আধুনিক ভক্ত বা ভক্ত্‌

'ভক্ত' শব্দটা খুব কানে আসছে। প্রচুর মানুষ ভক্ত বলে নিজেকে দাবী করছেন। এখন আমার কয়েকটা প্রশ্ন আছে, 'জয় শ্রীরাম' বললেই কি ভক্ত হওয়ার যোগ্য হচ্ছি? একটু ঘেঁটে দেখি হিন্দুধর্ম কি বলে। হিন্দুধর্ম নিয়েই যখন কথা বলছি তখন একেবারে গীতা দিয়েই শুরু করা ভালো। কি বলেন?

মূল্যায়ন


চ্যারিটি ভালো জিনিস। সভ্য মানুষ চ্যারিটি করবে এ ভালো কথা। মহাপুরুষেরা বলে গেলেন, সব চাইতে বড় দান হল জ্ঞানদান। 

সহানুভব শিক্ষা

১) “স্যার বেশি মাস্টারবেট করলে আর বাচ্চা হয় না?"

২) “দিনে ক'বার মাস্টারবেট করা যায়?”

৩) “স্যার আমার মনে হয় আমার একটা টেস্টিস বড়, একটা ছোটো।”

৪) “স্যার কত ফোঁটা রক্ত জমে যেন এক বিন্দু বীর্য তৈরি হয়?”

চক্রান্ত

মানুষের তো শুধু মহিমাই নেই, মানুষের তো সঙ্কীর্ণতা, অসহায়তাও রয়েছে। সে সঙ্কীর্ণতাকে আমি যে নামেই ডাকি না কেন – স্বার্থপরতা, আত্মকেন্দ্রিকতা, ক্ষুদ্রবুদ্ধি – ইত্যাদি যাই বলি না কেন, আছে তো। এত যে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, খুনোখুনি, অত্যাচার, ধর্ষণ – এ সবই মানুষেরই কাজ। এ তো মহত্ব নয়। যে মানুষটা ঠাণ্ডা মাথায় কারোর ক্ষত

সে অতি বিষম বস্তু

স্নেহ অতি বিষম বস্তু। স্নেহবস্তু যত সুক্ষ্ম তাকে নিয়ে সমস্যাও তত গুরুতর। যেমন ধরুন LDL এর কথা, যেই না রক্ত পরীক্ষায় এল যে সেই সুক্ষ্ম স্নেহ আপনার রক্তে ঘোরাফেরা করে বেড়াচ্ছে তখন আর নিশ্চিন্তে থাকার জো রইল না। যখন তখন যেখানে সেখানে জমে এক বিদিকিচ্ছিরি কাণ্ড ঘটিয়ে বসাবে। চিকিৎসকের স্নেহদৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হবেন। ঘরে

বড়দিনের বড় কথা

মানুষের চিন্তার বিরাম আছে। অনুভবের বিরাম নেই। “শুধু আমার হিয়া বিরাম পায় না গো”। আমি যে কিছু অনুভব করছি না, এও এক অনুভব। শুষ্কতার অনুভব। “জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণাধারায় এসো”। শুষ্কতার অনুভবের চাইতে বড় বালাই মানুষের হৃদয়ের কমই আছে। শ্রী অরবিন্দ বলছেন, একবার নিজেকে এমন করে ফেললাম, যেন কোনো দুঃখ আমায় স্পর্শ করতে না পারে। আমি দেখলাম সব সুখের অনুভবও আমায় ছেড়ে চলে গেল।
...

খোঁজো নিজ অন্তঃপুরে

রমণ মহর্ষি উত্তর দিতেন না। প্রশ্ন করতেন। একজন এসে বললেন, আমি দীর্ঘদিন জপ করছি, কিন্তু আমার প্রাণে কোনো শান্তি নেই। রমণ মহর্ষি জিজ্ঞাসা করলেন, কে জপ করছে?

   প্রশ্নকর্তা হয় তো বুঝতে না পেরে রমণ মহর্ষির মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন; রমণ মহর্ষি বললেন, তুমি খোঁজো কে জপ করছে।
...
Subscribe to প্রবন্ধ