Skip to main content

দেওয়াল

বাড়িতে এক সময় মেঝেতে এই দিনটায় প্রচুর আবীর পড়ে থাকত এখানে সেখানে। তাতে পায়ের ছাপ যে কত! বাচ্চাদের পায়ের ছাপগুলোর উপরে পড়ছে বড়দের, কখনও বড়দের ছাপ মুছে আঁকা হচ্ছে বাচ্চাদের পায়ের ছাপ। সকালে একপ্রস্থ হয়ে গেলে সন্ধ্যেবেলা আরেক প্রস্থ। আবীর তখনও মোছা হয়নি। পরেরদিন ঝাঁট দিতে দিতে কোমর ব্যথা।
...

গল্প গল্প

উপেনবাবুর ডাক্তারী করতে যত না ভালো লাগে, তার চাইতে ঢের বেশি ভালো লাগে নিজেকে ডাক্তার ভাবতে। হাসনাবাদের থেকে আরো ভিতরের দিকে এগোলে এই কেতুগ্রাম। অ্যালোপ্যাথি ডাক্তার বলতে এই উপেনবাবুই। বাবা ছিলেন কবিরাজ। বিশাল নামডাক।
...

ইঁট-পাটকেল

লোকটা চোখ বুজে হাঁটত। বাইরের পৃথিবীটার ওপর তার ভীষণ ঈর্ষা। বেশি হাঁটতও না। দক্ষিণে, পুবে ও পশ্চিমে দশ পা, দশ পা করে হাঁটত। উত্তরে একটা কিছুতে সে বাধা পেত, কিসে পেত সে বুঝত না...

নীল দেওয়াল

তখন অনেক রাত। কোণের প্রদীপটাও অন্ধকারের বুকে একা রেখে যাবে মনে হচ্ছে। বিশ্বাসঘাতকতা করবে - ওর আলো দেওয়ার কথা ছিল। অন্ধকারের জাল কেটে একটু বসার জায়গা বানিয়ে দেওয়ার কথা ছিল।

সাধন


গভীর রাত। গঙ্গার তীরে একলা সাধু। সংশয়ী দরজায়। সাধু বললেন, কি চাও?
- উত্তর
- সে তো দরজায় মেলে না। মেলে ভিতরে এলে।
- অন্ধকার যে।
- অপেক্ষা করো। বাইরের আলোর ধাঁধা কাটলে ভিতরের আলো দেখা যায়।

আঃ

ছেলেটার নাম ধরি, প্রত্যহ। সে ভালোবাসল, ধরি প্রাত্যহিকীকে। ধীরে ধীরে হৃদয়ের সব দিক দিল খুলে। প্রথমে খুলল, পূব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ। সে আরো এগোলো।
...

মায়া

দীঘির পাড়ে যে বড় বটগাছটা তার একটা ডালে শুয়ে আছে ভরত। ব্রহ্মদৈত্য। মধ্য আকাশে চাঁদ। বসন্তের বাতাস বইছে মৃদুমন্দ। একটা পেঁচা

কিসে?


ভবতোষবাবু একা কৃষ্ণমন্দিরে বসে। বহু পুরোনো মন্দির। সন্ধ্যারতি হয়ে গেছে আধঘন্টা হল। মাঘমাসের প্রথম সপ্তাহ। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা। তাই আজ তাড়াতাড়ি ফিরে গেছে সবাই।

মাঝি

তারপরে সে হাল ধরল। কুয়াশায় ঘেরা সকাল। একজন বললে, মাঝি তুমি পথ চেনো?  মাঝি হাসল। বলল, পথ চিনি না, মন চিনি।
...
Subscribe to অনুগল্প