জানলার সিট
জানলার সিট চাইলেই বড়রা দেয় না। মায়ের কোলে বসে বসে জানলার দিকে তাকিয়ে আছে নীল। তার দাঁড়ানোর মত পা নেই। রাণাঘাট লোকালে একদম সিটের ধারে মা বসে আছে তাকে নিয়ে। প্
গোড়ালি
রমা ঘুম থেকে উঠেই দেখল পায়ের গোড়ালিটা টনটন করছে। এখন মাটিতে পা রাখলেই মনে হবে যেন কাঁকড়া কামড়ে ধরল পায়ে।
হাঁফ
ওই ইকোপার্কে নাকি শীতকালে হেব্বি ভিড় হয়…. কত টাকা ঢুকতে নেয়?
কিন্তু....
যে ঝিলের ধারে অনেক বক আসে সকালে
চায়ের দোকানে লুঙ্গিটা গুটিয়ে বসে আছে খাটুয়া। পায়ে বহুদিনের পরা ঢিলে আকাশী নীল মোজা। হাওয়াই চটির মধ্যে ভরা পা। গায়ে এক সময়ের ভালো স্বাস্থ্যের ঢোলা সোয়েটার। মা
দিনদুনিয়ার মালিক আর জোনাকি
মাছ বিক্রি হয়ে গেলে গামলা-হাঁড়ি ধুতে বসল বগাই পুকুরের ধারে। লুঙ্গিটা হাঁটু অবধি তুলে, গায়ের ঘেমো জামাটা পাশে ঘাসের উপর মেলে ঘসঘস করে গামলা ঘষছে বগাই। পিছনে ভ
ফাঁকা মাঠ, চায়ের ভাঁড়
আটদিন হল, একটা টিভিও খারাপ হয়নি!
মাংসের ঝোল আর এঁদো পুকুর
ছোটো হোটেল। বেঞ্চে একজন মধ্যবয়স্ক মানুষ আটটা রুটি, পাঁঠার মাংস আর তড়কা নিয়ে বসেছে। গোগ্রাসে খাচ্ছে। সারাটা মুখ ঘামে ভর্তি। জামা ভিজে চাপ চাপ। পাখা ঘুরছে মাথা
শুকনো লঙ্কা
“রান্নাঘরে ঢোক। ঢুকে ডালের কৌটোর পিছনে দেখ শুকনো লঙ্কার কৌটো রাখা। ওই কৌটোটা পাড়। দেখিস পড়িস না যেন। ওর মধ্যে হাত ঢোকা। চারটে পাঁচশো টাকার নোট পাবি, নিয়ে আয়।
এর চাইতেও বেশি শাস্তি দেবে ওকে?
খুব সহজ হয়ে কাছে এসে বসেছে সে। জ্যোৎস্নায় তাকে দেখাচ্ছেও বেশ। শীত আসছে। চাদর ভিজে যাচ্ছে শিশিরে।