Skip to main content

পাগল

মাছের বাজার। সব্জী বাজার। মুদির দোকান।
     কোথাও যান না। শুধু চাষের জমি খুঁজে বেড়ান।
  কে যেন বলে গেছে - চাষবাস আরো বাড়ানো চাই
  সেদিন ভোরে উনি চাষের ক্ষেতে

মেঘ

সেই চেনা সরষে ক্ষেত দেখে এলাম
      জ্যোৎস্নায় ভিজে চুপচুপে

ডাকলাম। কেউ সাড়া দিল না।

  জিভ কাটলাম মনে মনে
খেয়াল করিনি মেঘ ছেঁড়া চাঁদ ওদের মাঝখানে

   আমিও তো সাড়া দিই না অন্যের ডাকে,
     যখন ব্যস্ততার মেঘ ছেঁড়া তোমার চোখ
       আমার চোখের সামনে

চেষ্টা করো

আমায় জ্যান্ত চেয়েছিলে না?
  তবে নাক-চোখ-মুখ চেপে ধরছ কেন?

শপিং কমপ্লেক্স

ভালোবাসা একটা বহুতল আবাসন
        আবাসন? না শপিং কমপ্লেক্স?

প্রতিটা ঘরে, প্রতিটা ফ্লোরে কি প্রচণ্ড ভালোবাসা
     সবাই যেন মহড়া দিচ্ছে, 
কোথায় কবে যেন হবে অসম্ভব রকম প্রতিযোগিতা

বাসনা

কোনো একটা ঘরে স্থির হয়ে বসতে দিল না
           বাসনা
এক ঘরে বসে থাকতে থাকতে দরজায় হাতছানি, 
      বলল, ওঠো, ও ঘরে যাব এবার

মৌসুমী বায়ুর মত

সুখের মুহুর্তগুলো ভুলে যাও, ক্ষতি নেই
মনে রেখো কিছু যন্ত্রণা আমরা একসাথে পেয়েছিলাম,
    ভাগ করে নিয়েছিলাম বলে
            কিছুটা পথ এগিয়ে আসতে পেরেছিলাম

সেই রবীন্দ্রনাথ

তৃষ্ণার্ত, সমুদ্রতীরে ডাবের জল
              সেই রবীন্দ্রনাথ

প্রেমার্ত, হরমোনের ভুলভুলাইয়ায় দিশা
              সেই রবীন্দ্রনাথ

পারিনি

প্রচণ্ড আকণ্ঠ দেশভক্তি
পাড়ার মোড়ে মোড়ে ফুল চন্দনে ঢাকা ছবি
অনেকটা বারের পূজোর মত
    (প্রসাদের মত বাণীও বাইরে রেখেই ঘরে ঢুকতে হয়। না হলে সাংসারিক অমঙ্গল)
আমি একটু দূরত্ব রেখেই চলি

আম্লিক - ভালোবাসা

অ্যাসিড ছোঁড়াটা আটকাতাম কি করে তোমার?
    ওটা তো তোমার রুচি

দ্বিধা

ডাক পাঠালে
    এসেছি দেখো

একটু দেরি হল

শুনতে পেয়েও
     বুঝতে পারিনি

পা দ্বিধান্বিত ছিল

Subscribe to কবিতা