Skip to main content

সাক্ষী

এ নিস্তরঙ্গ, নিষ্প্রাণ সমুদ্রে 
  মাথা তুলে ভেসে আছি 
      চেতনার মত কিছু একটা নিয়ে
নাম-সংজ্ঞাতে বাঁধতে চাইছি না নিজেকে

সীমানা

ফুল গাছকে বলে, 
     তুমি বৃন্ত অবধি এসে থেমে যাও
বাকিটুকু আমি বানিয়ে নেব
          আমার মত করে

টিকিট

তুমিও বাস থেকে নেমে গেলে 
    অচেনা স্টপেজে হঠাৎ
        কথা তো ছিল না এমন!

আবরণ

সকালে বসলে সূর্যের ধ্যানে
   বললাম চোখ খোলো, 
      সূর্য পূর্ব দিগন্তে,
         দেখো, কি তার রঙ, কি তার রূপ!

দান

সারাদিন ধরে শুকনো কাঠ জোগাড় করছিলাম, রাতে আগুন জ্বালাব বলে
খেয়াল করিনি ঈশানকোণে কখন জমেছে মেঘ
ঘন কালো মেঘ

তুমুল বৃষ্টি নামল
সব কাঠ ভিজল, 
ভিজলাম আমিও

যাক

     ওটা কি পাখি? মাছরাঙা?

            উড়ে গেল -

নাম

মালীটা প্রতিটা ফুলের গায়ে নিজের নাম লিখে রেখেছিল গোপনে

কেউ জানত না

প্রজাপতি না, বাতাস না, মাটি না।

জানত শুধু মালী
  আর ফুল

দেবতা

সিংহাসনে দেবতার গায়ে একটা মাকড়সা

দেবতা নির্বিকার
   মাকড়সাও

পুরোহিত উঠল চীৎকার করে -
    অপবিত্র হল সব!

আসলে তো

আসলে তো আমি তাড়াতাড়ি হাঁটছি না
  মৃত্যুও শুনেছি এদিকেই আসছে

দুজনেই তাড়াতাড়ি হাঁটলে 
     বড্ড তাড়াতাড়ি দেখা হয়ে যাবে

তফাত যাও

অস্পষ্ট আলো
আগে বাঁক
বাঁকের সামনে অন্ধকার

Subscribe to কবিতা