Skip to main content

বলি কি করে?


এখনও সাদা জল ছাড়া তৃষ্ণা মেটে না
সাদা ভাত ছাড়া খিদে মেটে না
ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন না জাগলে ঘুম হয় না
নিজেকে সম্পূর্ণ যান্ত্রিক বলি কি করে?

এখনও খোলা মাঠের হাওয়ায় 
    শুকনো ঘাস বুনোফুলের গন্ধে চোখ মুদি
নিজেকে সম্পূর্ণ শহুরেই বা বলি কি করে?

Savita law

তুমি সুস্নাত অভী দীপ্ত তেজে বাইরে এসো
হও প্রাচীন বল্কলভার মুক্ত
       অনাবৃত অসংস্কৃত
নিশাত দৃষ্টিতে ছিন্ন হোক মাটি
   আকাশে অভিদ্যোতনা ঘোষণা করুক 

প্রার্থনা


টব আছে
মাটি আছে
চারাগাছও আছে

মনে সাধ
  চারাগাছটা হোক মহীরুহ
মনে শঙ্কা
  সে মহীরুহ চিড় ধরাবে টবের
  আমার বাগান ছেড়ে হবে বনের

চারাগাছ, তুমি আমারই থেকো
মহীরুহ, আমিই তোমারই হলাম

রাত


রাত দশটা আঙুল দিয়ে বুকে আঁচড় কাটে
চিড়বিড় করে ওঠে পাঁজরগুলো

একটা আধমরা মথের মত কিছু
প্রবল আক্রোশে ডান ঝাপটায় 
   ফড়ফড় ফড়ফড় করে

গলায় জল ঢালি
  ভাবি যদি বুক অবধি নামে,
জল নামতে নামতে শুকিয়ে যায়

শব্দ

শব্দ মারা যায়
কখন মারা গেল
     কেউ টের পায় না
শূন্য শামুকের খোলকের মত পড়ে থাকে
          একা - অবদ্য

ইছামতী

ইছামতী, তোমায় আমি আজ দেখলাম চোখের বাইরে
   ঠাকুমার চোখে দেখেছি তো সেই জ্ঞান না হতেই
         ঘর ভাঙানো কান্না গানে

একাকীত্ব

তুমি নির্মল একাকীত্ব চেয়েছিলে

পেলে

বাজার

আমার মতো দেখতে কেউ একজন
বাজারের ব্যাগ নিয়ে বাইরে গেল
খানিক পরে বাজারের ব্যাগ নিয়ে ফিরে এল
                          সে অন্য কেউ

ব্যাগ খুলে দেখলাম
বাজারে নানা সামগ্রীর সাথে রক্ত মাখা একটা পোশাক

তোমার শহরেও ভোর হল

ঝড়ে সব ক'টা রজনীগন্ধা ক্ষেতে শুয়ে পড়ল
এমনই প্রচণ্ড ঝড় হল
পরেরদিন, যেই না সুয্যি উঠে ফুটফুটে সকাল হল
  তারা সব্বাই ধুলো-জল ঝেড়ে 
      হুররে করে, সোজা হয়ে উঠে দাঁড়ালো

গুনগুন

অনেকেরই রাস্তা পারাপার হতে জেব্রাক্রসিং লাগে
নিদেন পক্ষে কয়েক জোড়া ট্রাফিকপুলিশ
তারপর এর ওর তার হাত ধরে ধরে পার হয়ে যায়
     সিগন্যাল পরখ করতে করতে শ্বাস চেপে

Subscribe to কবিতা