Skip to main content

আগুন


সময় ফুটল মনের মধ্যে
ঘুম ছাড়া চোখ ভোমরা
ঝড় ঠেকাচ্ছি ভাঙা শিকলেতে
নিলামেতে হৃদি পসরা

পরিযায়ী পাখি, মধুর ঠোকর
প্রাণে বিষাক্ত রঙ ফাগুন
যার ভুলের ঘরে বসতি পাতা
তারই চুম্বনে চিতা, আগুন
 

বড় রাস্তাটা


বড় রাস্তাটা আরো চওড়া হওয়ার কথা ছিল
 তাই অনেক উচ্ছেদ হল, সংস্কার হল 
    তারপর বড় রাস্তাটা 
        কি করে, কি করে জানি

তবুও আমি নাইব


সাবান আছে?
নেই
শ্যাম্পু?
তাও নেই
টাওয়েল?
নেই
গামছা?
সেও নেই
টব আছে?
না, নেই
বালতি, কিম্বা গামলা?
নেই নেই, সেও নেই
আশেপাশে পুকুর?
নেই
দীঘি
নেই
নদী
নেই

বলেছিল, যাবে না


বলেছিল, যাবে না
  তবু গিয়েছিল

মন বলেছিল, 
  ফিরবে না

ফিরেওছিল

মন বলেছিল, 
  থাকবে না

থেকেওছিল

মন বলেছিল -
  ঠকব না

তবু ঠকেওছিল

মন বলেছিল
  ভালোবাসবে না

অনেক মানুষকে পাশ কাটিয়ে এগোতে এগোতে


অনেক মানুষকে পাশ কাটিয়ে এগোতে এগোতে
     অনেকটা এগিয়ে এসে, খানিক থেমে
প্রথম কাটিয়ে আসা মানুষটার কাছে
       আবার ফিরে যেতে ইচ্ছা করে,
তাকে যেন কি একটা বলা হয়নি

অনুরোধ


তোমাকে আমায় কেন্দ্র করে ঘুরতে হবে না

শুধু দিনের শেষে, 
   যেখানে আমি দাঁড়িয়ে
         সেখানে ফিরে এসো

যদি না ফেরো,
       জানি হারিয়ে যাবে না

আমার নিজেকে অপরিচিত লাগবে

প্রতিবাদ


আসলে খুব খারাপ শব্দ প্রয়োগ করলেই প্রতিবাদ করা হয় না
কিম্বা গগনভেদী চীৎকার করলেও প্রতিবাদ জানানো হয়, 

তা না
       বড় জোর কয়েকটা কাল-চিল উড়তে পারে
            অজ্ঞতা বা ভণ্ডামি না

মঙ্গল হোক


ঈশ্বরের জন্য ভাত বেড়ে বসেছিলাম
ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে দেখে
দরজার বাইরে অপেক্ষা করা কুকুরটার মুখের সামনে দিলাম, 
    কয়েকটা কাকও উড়ে এলো

কে বলল, মঙ্গল হোক

গণ্ডূষ


তবে কি যাওনি?
মনে হয়েছিল
       ফিরে গেছ,
এখন শ্রাবণ না
  আশ্বিন,
    এলে আবার এসো
        হয় তো কথা হবে না
    তবু কাশ তো ফুটেছে

কেউ একবারও তো


সময় পিছলে গেল তোমার উপর
তোমায় ভাসালো না

আমি এগিয়ে এলাম 
  সময়ের সাথে কথা বলতে বলতে অনেকটা

অথচ 
   তুমিও না, সময়ও না
    কেউ একবারও তো -
       আমায় দাঁড়িয়ে যেতে বললে না

Subscribe to কবিতা