রাস্তায় কাদা। চলা দায়।
তবু তো রাস্তা। তবে কি মাঠ বন জঙ্গল দিয়ে যাবে?
এত খানাখন্দ। এত নুড়ি পাথর। এইভাবে কি চলা যায়?
তবু তো রাস্তা। তবে কি উড়ে উড়ে যাবে?
রাস্তা বদলায় রাস্তা কবে? পথ চলতি মানুষের পায়ের আঘাতে কাদা মুছে মুছে যায়, খানাখন্দ বসে যায়, সহজ হয়ে আসে। তবু তো রাস্তা। ছেড়ে দেবে? দোর দেবে ঘরে?
এ রাস্তা আমার না। আমার রাস্তা আমার ইচ্ছা হয়ে জন্মে বাঁকের পর বাঁক পেরিয়ে যাবে সেই মুলুকে, যে মুলুকে যাওয়ার আমার স্বপ্ন।
রাস্তা ইচ্ছাবাষ্প না। ওই দেখো। লক্ষকোটি না, অগুনতি পায়ের ছাপ। ওরা ইচ্ছা না। তাগিদ। তাগিদের পিঠে চাবুকের ছাপ। জ্বলন্ত আগুনে গলন্ত লোহার মত। ফুল আঁকা আলপনা তো নয়। শুনতে পাচ্ছ না, লক্ষকোটি অবরুদ্ধ পায়ের হুংকার! শ্রাবণের মেঘের মত ধুলো উড়িয়ে রাস্তাকে বলছে, সাবধান! হুঁশিয়ার! হও তৈয়ার!
তাই চাই, তবু রাস্তাই। নতুনের আঁতুড়ঘর। পুরানোর দুঃস্বপ্ন।