Skip to main content

 

সন্ন্যাসী অস্তমিত সূর্যের দিকে তাকিয়ে বসে। জীবন থেকে একটা দিন চলে গেল। একটা একটা তারা ফুটল আকাশে। সন্ন্যাসী দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

একটু দূরে বসে বাসন মাজছিল সাত বাড়ির ঠিকে ঝি। সন্ন্যাসীর দীর্ঘশ্বাস কানে গেল। তার মনে অনেক কথা চলছিল। সব থামিয়ে দিল সে দীর্ঘশ্বাস। তার নিজের ছায়া টলটলে জলের উপর। সে তাকিয়ে রইল। তারার আলোয় সেই আবছায়া ছায়া তাকে বলল, তোর দীর্ঘশ্বাস এর চাইতেও উষ্ণ? দীর্ঘ?

সন্ন্যাসী ধ্যানমগ্ন। সে বাসনগুলো ধীরে ধীরে তুলে ফেরার পথ ধরল। তার মনে হল সন্ন্যাসী ধ্যানের গভীরে যে পথের সন্ধানে, সে পথে সে হাঁটছে বহুকাল হল।

↑