যখন ফোন নাম্বার পোর্টিং করার ব্যাপারটা জানলাম, আবার বেশ মজা লাগল। আমার একটা এয়ারটেল নাম্বার ছিল, মানে যেটা আমার বর্তমান ফোন নাম্বার আর কি। তো আমার কি খেয়াল হল, মনে হল এয়ারটেলে কেন থাকব, যাই এয়ারসেলে, বেশ সস্তা। দিলুম পোর্টিং এর আবেদন করে। এয়ারটেল থেকে ফোন করল, কেন ছাড়ছেন, এতদিনের পুরোনো কাস্টমার আপনি। বললুম, "আপনাদের এখানে থেকে আমি কাজ করতে পারছি না, না ফোন ঠিক আসছে, না যাচ্ছে। তাই আমি এয়ারসেলে যাচ্ছি।" আসল কথাটা বললাম না যে এয়ারসেল অনেক সস্তা। তার মানে এই দাঁড়াবে না যে আমি টাকার জন্য যাচ্ছি! ছি, নিজেকে কেমন চিপ মানে সস্তা লাগবে না?
এরপর কয়েক মাস এয়ারসেলে থেকে তারপর ডোকোমো, বিএসএনএল, ভোডাফোন ইত্যাদি ঘুরে এখন জিওতে আছি। নাম্বার কিন্তু একই। এবং কোনো নেটওয়ার্ক এর সার্ভিস ছাড়ার কারণটাও কিন্তু আমি সবাইকে একই বলেছি, "আমার কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে"। কাউকে বলিনি, আমার ওদিকে গেলেই আর্থিক লাভ।
কিন্তু জানেন, এখানে একটা কথা আছে। আমি যখন ভোডাফোন ছেড়ে জিওতে আসছি, আমায় কিন্তু কেউ জিজ্ঞাসা করেনি, আপনি জিওতে কেন যাচ্ছেন। আসলে সবাই জানে জিওর সব ভালো। প্রচুর অফার। তবে আমি কিন্তু আশেপাশে সবাইকেই বলেছি, ভোডাফোনে আমার কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছিল, এত নেটওয়ার্ক কাটছিল। সস্তায় নেটপ্যাকের কথাটা গুপ্ত রেখেছি। রেখে যাবও। সে চার্টাড প্লেন নাও পাই, আমার লাভের কোম্পানিতে পোর্টিং এর সুযোগ পেলে পায়ে হেঁটেও যাব।
Category
- Log in to post comments
- 20 views