এখনই সব বানচাল করে দিও না। তার সাইকেল কুয়াশায় মিলিয়ে গেল এই। রোদ উঠেছে। গাছেরা প্রস্তুত। সেজে বসে আছে সবুজে সবুজে। সরষে ফুলের হলুদ চাদরে আকাশ ডুবিয়েছে নীল পা। তুমি তোমার কোনো ভুলে যাওয়া গানের লাইন মনে করো। যে গানের লাইন হাতের মুঠোয় ধরে তুমি একলা দাঁড়িয়ে কাঁদতে। অবুঝ ছিলে। তবু বড্ড খাঁটি ছিলে। তুমি নিজেকে হারিয়ে নিজেকে গড়ছ। এ ভালো নয়। তুমিও বুঝছ।
এখনই সব বানচাল করে দিও না। সে আসুক রাত্তির মেখে ফিরে। রাতের অন্ধকারে আলো নিভিয়ে তার বুকের উপর মাথা রেখে দেখো, কতটা খাঁটি আছ তুমি আজও। জানো তো ভালোবাসার কোনো প্রদোষকাল সায়ংকাল হয় না। আকাঙ্খাকে কেন ভালোবাসার ঘরে সাজগোজ করতে পাঠাও? জানো না ওর ঈর্ষাকে? সব লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে আসবে ভালোবাসার গায়ে দিয়ে দোষ? ওকে ফেরত পাঠাও। তারপর তার ক্লান্ত সাইকেলের কাছে যাও। তাকে ছুঁয়ে দেখো সে তোমার ছোঁয়ায় জুড়িয়ে যায় কিনা। ও প্রতিটা আবর্তনে তোমাকে খোঁজে, প্রতিটা মোড়ে। ওর যাওয়া আসা দুই-ই তোমার জন্য। বোঝো না!
এখনই সব বানচাল করে দিও না। নিজেকে গড়তে গিয়ে নিজেকে হারিয়ো না আর। ভালোবাসার কোনো ভবিষ্যৎকাল অতীতকাল হয় না। তবে তুমি বদলাচ্ছ কার জন্য?