একটা কাজের কথা। একবার ভেবে দেখবেন তো, যতগুলো অনুতাপ, অপরাধীভাব কিম্বা দোষীভাব নিজের ভিতরে, নিজের অজান্তে পুষে রেখেছেন, তার কতগুলোর সত্যিই কোনো মানে হয়?
সত্যিকারের অপরাধবোধ বেশিদিন বাঁচে না। অনুতাপে পুড়ে শুদ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু অন্যের তৈরি করা অপরাধবোধ মরে না। কারণ তাকে মরতে দেওয়া হয় না। একটু একলা হয়ে ভেবে দেখুন দিকি, কে সে, যে আপনার মধ্যে অপরাধের আগুন জ্বালিয়ে, সেই তুষে নিজে হাত পা সেঁকছে? তাকে কিছু বলার দরকার নেই। আপনার এই জাগরণেই সে তুষ নিভবে, সে টের পাবে। আবার নানা অজুহাতে তুষের জোগাড় করতে চেষ্টা করবে। সেখানেই থামিয়ে দিন।
দুটো কথা মনে রাখবেন, ১) সত্যিকারের অপরাধবোধ স্বল্পায়ু। যদি দীর্ঘদিন বুকের রক্ত চুষছে তবে নিশ্চয় অন্যের কৌশলে বাড়া অপরাধবোধ। ২) সংসারে সব চাইতে সাংঘাতিক অজুহাত ভালোবাসার অজুহাত। ভালোবাসার কোনো অজুহাত হয় না। ওই দিয়েই তুষের জোগান আপনার বুকে হয়। সাবধান!
Category
- Log in to post comments
- 3 views